Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

কোরআন বিতরণে হিন্দুত্ববাদী কর্মীর চরম বাধা, বাংলাদেশকে জড়িয়ে তীব্র কটাক্ষ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
কোরআন বিতরণে হিন্দুত্ববাদী কর্মীর চরম বাধা, বাংলাদেশকে জড়িয়ে তীব্র কটাক্ষ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

শান্তিপূর্ণভাবে বিনামূল্যে পবিত্র কোরআন বিতরণের সময় এক হিন্দুত্ববাদী কর্মীর বাধা ও বাংলাদেশকে জড়িয়ে উসকানিমূলক মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

উন্মুক্ত স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে পবিত্র কোরআন শরিফ বিতরণের সময় এক হিন্দুত্ববাদী কর্মীর চরম বাধা ও বাংলাদেশকে জড়িয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। স্থানীয় পথচারীদের কাছে বিনামূল্যে ধর্মীয় গ্রন্থ তুলে দেওয়ার একটি কর্মসূচি চলাকালে হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই কর্মী বাধা সৃষ্টি করেন। শুধু বিতরণ কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করাই নয়, তিনি উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্য করে বাংলাদেশকে জড়িয়ে নানা উসকানিমূলক ও কটূক্তিমূলক মন্তব্য ছুড়ে দেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে উপস্থিত জনতার মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, একদল স্বেচ্ছাসেবী সাধারণ মানুষের মাঝে ধর্মীয় সচেতনতা ও সম্প্রীতি বাড়াতে পবিত্র কোরআনের অনুবাদ কপি বিতরণ করছিলেন। এই সময় ওই কট্টরপন্থী কর্মী এসে বিতরণকারীদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং প্রকাশ্যে এটি বন্ধ করার দাবি জানান। একপর্যায়ে তিনি বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তিকর ও অবমাননাকর নানা মন্তব্য করতে থাকেন। বিতরণকারীরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করলেও ওই ব্যক্তি ক্রমাগত উসকানি দিতে থাকেন বলে জানা গেছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে উগ্র মতাদর্শের প্রচার এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে জড়িয়ে অযাচিত বিদ্বেষ ছড়ানোর প্রবণতা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে বাধা দিয়ে ভিনদেশের প্রসঙ্গ টেনে আনাকে একটি পরিকল্পিত উসকানি হিসেবে দেখছেন অনেকেই। সংশ্লিষ্ট ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নেটিজেনরা ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রচার কার্যক্রমে এ ধরনের অনধিকার হস্তক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সাথে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বাংলাদেশকে জড়িয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেওয়ার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ও কূটনৈতিক সতর্কবার্তা প্রয়োজন বলেও অনেকেই মত প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের উগ্র আচরণ সমাজের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

ঘটনাটির পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় উত্তেজনা কিছুটা বাড়লেও আয়োজকদের ধৈর্যশীল আচরণের কারণে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তবে এই ধরনের উসকানিমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি দাবি করা হয়েছে। উসকানিদাতা ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির অপেক্ষায় রয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম