হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে দেশে জরুরি সতর্কতা, নিরাপত্তা হালনাগাদের নির্দেশ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ অপারেটরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হ্যাকিংয়ের উচ্চ ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা দল। ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম শনাক্ত করে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- দেশের সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ অপারেটরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হ্যাকিংয়ের উচ্চ ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা দল।
- ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম শনাক্ত করে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাংলাদেশ সরকারের রেসপন্স টিম বৃহস্পতিবার এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, ওয়েবসাইট পরিচালনায় বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির দুটি গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমে লগইন না ওয়েব সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের সরকারি সংস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিযোগাযোগ অপারেটরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হ্যাকিংয়ের উচ্চ ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা দল। ঝুঁকিপূর্ণ সিস্টেম শনাক্ত করে দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের বাংলাদেশ সরকারের রেসপন্স টিম বৃহস্পতিবার এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, ওয়েবসাইট পরিচালনায় বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির দুটি গুরুতর নিরাপত্তাত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমে লগইন না ওয়েব সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিএইচপির এসব ত্রুটি প্রকাশ্যে আসার পর বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকার দ্রুত নিরাপত্তা হালনাগাদের উদ্যোগ নেয়।
একটি ক্লাউড সেবা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ত্রুটিগুলোর তথ্য প্রকাশের পর সেগুলো কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ হ্যাকিংয়ের চেষ্টা হয়েছে। এর আগে বুধবার ইউরোপসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সরকার ও প্রতিষ্ঠান সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখে। একই সময়ে ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীরা পিএইচপির ব্যবহার করা সিস্টেমগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর হন। টোকিও থেকে হেলসিংকি পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ব্যাংকিং, বিমান, রেল, কর ও সরকারি সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘটনা কয়েক দশক ধরে ইন্টারনেট সচল রাখতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এসব ঘটনা দেখিয়েছে, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমন কিছু কোডের ওপর কতটা নির্ভরশীল, যার কাজ সম্পর্কে অনেকেরই বিস্তারিত ধারণা নেই। সাইবার হামলা থেকে ওয়েবসাইট সুরক্ষায় কাজ করা প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ার জানিয়েছে, নিরাপত্তাত্রুটিগুলোর তথ্য প্রকাশের পর সেগুলো কাজে লাগানোর লাখ লাখ চেষ্টা শনাক্ত হয়েছে। বৈশ্বিক সতর্কতার পর বাংলাদেশ ব্যাংকও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে তাদের ওয়েবসাইট বন্ধ রেখেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তবে ওয়েবসাইটটি কখন চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি। বিজিডি ই-গভ সার্টের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তাত্রুটিগুলো কাজে লাগিয়ে কোনো অ্যাপ্লিকেশনে আগে প্রবেশাধিকার যাচাই ছাড়াই ওয়েব সার্ভারে হামলা চালানো হয়তে পারে। সরকারি ওয়েব পোর্টাল, ইন্টারনেট থেকে ব্যবহার করা যায় এমন অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই), প্রশাসনিক সিস্টেম ও ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মকে সম্ভাব্য ঝুঁকিতে থাকা সেবার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
“যোগাযোগ ব্যবস্থার এই সংযোগ আঞ্চলিক অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মেয়াদে কাজ সম্পন্ন করা এবং আর্থিক বরাদ্দের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



