ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসে মোদিকে মশাল জ্বালানোর আমন্ত্রণ নেতানিয়াহুর
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী মশাল জ্বালানোর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। দুই নেতার টেলিফোন আলাপের পর এই তথ্য সামনে আসে। একই অনুষ্ঠানে ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরকেও উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
- টেলিফোন আলাপে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে মশাল জ্বালানোর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
- ফ্লাইটে হামলার পর যাত্রীদের জীবন বাঁচানো ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছরকেও একই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
- দুই দেশের শীর্ষ নেতার আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও পর্যালোচনা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ইসরায়েলের আগামী স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবে মশাল প্রজ্বলনের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার দুই দেশের সরকারপ্রধানের মধ্যে সরাসরি টেলিফোনে কথা হয়। ওই ফোনালাপেই ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক নানা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পাশাপাশি এই আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান নেতানিয়াহু।
নেতানিয়াহুর এই আমন্ত্রণের তালিকায় নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি রয়েছেন ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছর। সম্প্রতি দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটের ককপিটে হামলার শিকার হন এই পাইলট। গুরুতর আহত হওয়ার পরও অসাধারণ সাহসিকতা দেখিয়ে তিনি বিমানটিকে নিরাপদে অবতরণ করান এবং শত শত যাত্রীর জীবন রক্ষা করেন। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ওই পাইলটের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তার বীরত্বের প্রশংসা করেছিলেন নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, স্বাধীনতা দিবসে মশাল জ্বালানোর এই বিরল সম্মাননা সাধারণত দেশটির বিশিষ্ট নাগরিকদেরই দেওয়া হয়ে থাকে। তবে ক্যাপ্টেন মাচ্ছরের অদম্য সাহস এবং ভারত-ইসরায়েল বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এবার ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নিয়েছে তেল আবিব। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, এমন সাহসী ভূমিকা কেবল ভারতের নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নরেন্দ্র মোদিকে এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননার আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি ভারত ও ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। মধ্যপ্রাচ্যের চরম ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই যোগাযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
“ইসরায়েলের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং দুই দেশের গভীর সামরিক ও প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্বের পরিষ্কার বহিঃপ্রকাশ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



