মাদ’কের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে বিএনপিতে কারো স্থান নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মহিলা দলের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
- কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মহিলা দলের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
- শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোনো স্থান নেই।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের তিতারকান্দি ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে মহিলা দলের পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, কোনো নেতা যদি মাদক, নারী ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে তাহলে বিএনপিতে তার কোনো স্থান নেই। তারেক রহমানের শাসনামলে এ্যানি চৌধুরী নির্বাচিত হওয়া অবস্থায় সেই সুযোগ লক্ষ্মীপুরের রাজনীতিতে দেওয়া হবে না।
এজন্য ভালো লোককে যুবদলের নেতৃত্বে দেবো। যুবদলের নেতাগিরি করবেন, আর কেউ লোহালক্কড় নিয়ে হাঁটাহাঁটির চেষ্টা করবেন, ওইদিন শেষ।
লোহা লক্করের রাজনীতি লক্ষ্মীপুরে চলবে না। তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের অপকর্মের সঙ্গে যদি কেউ জড়িত হয় অথবা আওয়ামী লীগের আগের লোকের সঙ্গে থেকে অপকর্মে লিপ্ত হয়ে কিছু মাল কামাবেন, অপকর্ম করবেন, ওই সুযোগ বিএনপির রাজনীতিতে তারেক জিয়ার আমলে হবে না। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন ও জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার প্রমুখ।
“আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত অভিযান জনমনে স্বস্তি আনে। তবে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইনের যথাযথ শাসন, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধের মূল উৎসমূল নির্মূলে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



