Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

মূক-বধির নারী খুনির গল্পে নতুন মাত্রা

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
মূক-বধির নারী খুনির গল্পে নতুন মাত্রা
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

মূক ও বধির এক তরুণী। পেশাদার খুনি হিসেবে যার নিশানা অব্যর্থ।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • মূক ও বধির এক তরুণী।
  • পেশাদার খুনি হিসেবে যার নিশানা অব্যর্থ।
  • এই নির্মম খুনির বুকেই জমে আছে শৈশবের গভীর ক্ষত, একাকিত্ব আর ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

মূক ও বধির এক তরুণী। পেশাদার খুনি হিসেবে যার নিশানা অব্যর্থ। এই নির্মম খুনির বুকেই জমে আছে শৈশবের গভীর ক্ষত, একাকিত্ব আর ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা। এই বৈপরীত্যকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে নাচিকেত সামন্ত পরিচালিত হুমা কুরেশি অভিনীত হিন্দি সিনেমা ‘বেবি ডু ডাই ডু’। গত জুলাইয়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি সম্প্রতি এসেছে নেটফ্লিক্সে। মুক্তির পর থেকেই বাংলাদেশে প্ল্যাটফর্মটির জনপ্রিয় সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এটি। আততায়ীকে ঘিরে নির্মিত থ্রিলার হিসেবে ‘বেবি ডু ডাই ডু’ খুব একটা নতুন কিছু দেখায় না। দুনিয়াজুড়ে এমন এন্তার কাজ হয়েছে।

অভিনবত্ব বলতে, রহস্যময় খুনি একজন নারী, যে কথা বলতে ও শুনতে পারে না। বাকি উপাদানগুলো বেশ পরিচিত। শৈশবের এক মর্মান্তিক ঘটনা বেবি কারমারকরকে (হুমা কুরেশি) পরিণত করেছে নির্মম এক ভাড়াটে খুনিতে। পাপা (চাঙ্কি পান্ডে) নামের এক পিতৃস্থানীয় ব্যক্তির হয়ে কাজ করে সে। নিজের পেশায় বেবি অত্যন্ত দক্ষ। তার অস্ত্র একটি ছাতা, যার আড়াল থেকে অব্যর্থ নিশানায় গুলি চালাতে পারে সে। একসময় বেবির জীবনে আসে প্রেম। রচিত সিং অভিনীত এই মানুষটির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর নিজের গোপন পরিচয় আড়াল করে রাখা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

বেবি এই পেশা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চায়। কিন্তু যে অপরাধজগতে সে এত গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। সামনে অপেক্ষা করে অবধারিত রক্তাক্ত পরিস্থিতি। এমন পরিচিত গল্পকে আকর্ষণীয় করে তুলতে নির্মাতা ভরসা রেখেছেন দৃশ্যায়ন ও উপস্থাপনায়। সেই চেষ্টা বোঝা যায় সিনেমার নামেই। মহারাষ্ট্রীয় নাম ‘বেবি কারমারকর’-এর ইংরেজি অনুবাদ ‘বেবি ডু ডাই ডু’। ‘কার-মার-কার’ আর ‘ডু-ডাই-ডু’—শব্দ দুটির ধ্বনিগত মিল নামটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। বেবি কথা বলতে ও শুনতে পারে না।

তাই তার চারপাশের দৃশ্য ও শব্দের জগৎকে অনুমিতভাবেই বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সাদা-কালো ফ্ল্যাশব্যাক, নির্বাক চলচ্চিত্রের কৌশল, অদ্ভুত সংগীত আর বৃষ্টিভেজা নিয়ন আলোয় ঝলমলে ছাদ—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক অস্বস্তিকর, রহস্যময় আবহ। লাল রঙের ব্যবহারও চোখে পড়ে। কোনো কোনো দৃশ্যে রংটি যেন আলাদা একটি চরিত্র হয়ে ওঠে। গল্প বলার ধরনেও রয়েছে কিছু অভিনবত্ব। সিসিটিভি ফুটেজ পেছনের দিকে চালিয়ে হত্যাকাণ্ড দেখানো, মুঠোফোনের বার্তা, বিভক্ত পর্দা, ভয়েস নোট ও সাবটাইটেল—এসবের ব্যবহার সিনেমাটিকে গতানুগতিক উপস্থাপনা থেকে কিছুটা আলাদা করেছে। নির্মাতার রসবোধও মাঝেমধ্যে বেশ ভালো কাজ করে। গানের ব্যবহারেও সেই রসবোধের পরিচয় দিয়েছেন নির্মাতা। সমকামীদের নাইট ক্লাবে বাজতে থাকা ‘আলফা কিউ’ থেকে শুরু করে বিয়ের দৃশ্যের সঙ্গে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ঝুঁকি নিয়ে গানের ব্যবহার—গল্পের আবহের সঙ্গে মানিয়ে গেছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম