মিরপুরে চাঁদার টাকা বিদেশে পাঠানোর অভিযোগে তিন ভাই গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীতে চাঁদাবাজি করে বিদেশে পলাতক মিরপুরের ‘ফোর স্টার গ্রুপের’ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কাছে টাকা পাঠানো এবং দেশে তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতার অভিযোগে তিন সহোদরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আপন ভাগ্নে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
- রাজধানীতে চাঁদাবাজি করে বিদেশে পলাতক মিরপুরের ‘ফোর স্টার গ্রুপের’ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কাছে টাকা পাঠানো এবং দেশে তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতার অভিযোগে তিন সহোদরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
- গ্রেপ্তার তিনজন ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আপন ভাগ্নে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিরপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীতে চাঁদাবাজি করে বিদেশে পলাতক মিরপুরের ‘ফোর স্টার গ্রুপের’ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের কাছে টাকা পাঠানো এবং দেশে তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতার অভিযোগে তিন সহোদরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার তিনজন ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আপন ভাগ্নে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মিরপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. মেহেদী হাসান ওরফে জয় (৩৯), সানজিম হাসান (২৭) ও মো. অমিত হাসান (২৮)। তারা তিনজনেই আপন ভাই। তাদের বাবা আমির হোসেন এবং মা নাসিমা বেগম। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নাসিমা বেগমের ভাই হলেন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী মফিজুর রহমান মামুন, মশিউর রহমান এবং জামিলুর রহমান ওরফে জামিল।
মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের বলেন, গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান ওরফে জয় মিরপুরের ‘ফোর স্টার গ্রুপ’ নামে পরিচিত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর শীর্ষ সন্ত্রাসী মফিজুর রহমান মামুনের চাঁদা আদায়, জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন প্লট ও ফ্ল্যাট দখল, ফুটপাত নিয়ন্ত্রণ, কিশোর গ্যাং পরিচালনা এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, মেহেদীর মাধ্যমে আদায় করা চাঁদার টাকা বিদেশে পলাতক মফিজুর রহমান মামুন, মশিউর রহমান ও জামিলুর রহমান ওরফে জামিলের কাছে পাঠানো হতো বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়া, গ্রেপ্তার সানজিম হাসানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর প্রভাব ব্যবহার করে কিশোর গ্যাং পরিচালনা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। ডিসি হাসান মোহাম্মদ নাছের জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে ওই শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমেও তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ হতো বলে জানা গেছে। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার তিনজনকে মিরপুর থানার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ডিএমপির মিরপুর বিভাগে অপরাধ দমন, সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম।
“আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সুনির্দিষ্ট ও সমন্বিত অভিযান জনমনে স্বস্তি আনে। তবে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইনের যথাযথ শাসন, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধের মূল উৎসমূল নির্মূলে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



