ফেসবুকে স্নাইপারের মন্তব্য করা সেই তরুণ কারাগারে
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ফেসবুকে স্পর্শকাতর মন্তব্য করার অভিযোগে আবু বকর সিদ্দিক নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। গোয়েন্দা পুলিশের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
- ফেসবুকে মন্তব্য করায় রাজশাহীর পবা থেকে আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
- ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
- ঘটনার পেছনে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা জানতে রিমান্ডে চাইবে পুলিশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিআইপি গাড়িবহর নিয়ে আপত্তিকর ও বিপজ্জনক মন্তব্য করার অভিযোগে আবু বকর সিদ্দিক নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২১ অক্টোবর ফেসবুকের ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি পাবলিক গ্রুপে একটি বাসের ছবি দিয়ে পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে ‘এমডি আবু বকর সিদ্দিক’ নামের আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়, 'ইশ, একটা বড় সুযোগ ছিল, শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।' এমন বক্তব্য নজরে আসার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই আইডির মালিককে শনাক্ত করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এরপর রাজশাহী মহানগরীর পবা থানার ঘোলহাড়িয়া দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার বাবা আয়নাল হককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানের সময় সিদ্দিকের ব্যবহৃত মুঠোফোন জব্দ করে পুলিশ। পরে ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের পক্ষ থেকে রাজধানীর রমনা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে জানান, আসামির ফোন ঘেঁটে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে আপত্তিকর মন্তব্যের আলামত পাওয়া গেছে। ঘটনার পেছনে কোনো বড় ধরনের চক্রান্ত আছে কি না এবং এজাহারভুক্ত অজ্ঞাত অন্য ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। খুব দ্রুতই পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন বিভাগ।
“সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বা সহিংস ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। সাইবার পরিসরে করা যেকোনো মন্তব্য কীভাবে আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে, এই ঘটনা তারই একটি পরিষ্কার দৃষ্টান্ত।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



