ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুমারশীল মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের অভিনব কায়দায় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সড়কে দায়িত্ব পালনের আড়ালে অভিনব কৌশলে টাকা লেনদেনের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি; সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ও তদন্তের দাবি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের ব্যস্ততম কুমারশীল মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে অত্যন্ত অভিনব ও চতুর কৌশলে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সড়কে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় যানবাহন চালকদের কাছ থেকে সন্দেহজনকভাবে টাকা নেওয়ার এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ঘটনাটি স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশের নিয়মিত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শহরের ব্যস্ততম ট্রাফিক পয়েন্ট কুমারশীল মোড়ে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছেন ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা। এর মধ্যেই চলন্ত বা থামানো বিভিন্ন যানবাহন—বিশেষ করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও পণ্যবাহী গাড়ি আটকে কাগজপত্র পরীক্ষার ভান করা হয়। এরপর প্রকাশ্যেই অত্যন্ত চাতুর্যের সঙ্গে চালকের হাত থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা গ্রহণ করে তা দ্রুত পকেটে চালান করে দেওয়া হয়। অত্যন্ত গোপনে ও অভিনব অঙ্গভঙ্গিতে করা এই লেনদেনের পুরো দৃশ্যটি দূর থেকে এক প্রত্যক্ষদর্শী মুঠোফোনে ধারণ করেন, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কুমারশীল মোড় এলাকায় নিয়মিতভাবে এমন চাঁদাবাজি ও অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটছে। চালকদের কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও অযথা হয়রানি এড়াতে ট্রাফিক পুলিশকে নির্দিষ্ট হারে টাকা দিতে বাধ্য হতে হয়। অনেক সময় সরাসরি হাত পেতে টাকা না নিয়ে ট্রাফিকের সংকেত দেওয়ার আড়ালে বা নির্দিষ্ট কোনো ইশারার মাধ্যমে অর্থ নেওয়া হয়, যা পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার চরম পরিপন্থি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। জনপরিসরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এমন অপকর্মের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। জেলা ট্রাফিক বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে নাগরিক সমাজ থেকেও।
এদিকে বিষয়টি নজরে আসার পর স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভ্যন্তরীণভাবে খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মতে, ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে জড়িত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



