Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

যন্তরমন্তরে আর আন্দোলন না করার শর্তে মুক্তি পেলেন ককরোচের দুই নেতা

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
যন্তরমন্তরে আর আন্দোলন না করার শর্তে মুক্তি পেলেন ককরোচের দুই নেতা
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ভারতের দিল্লিতে যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে কোনো বিক্ষোভ বা সমাবেশ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাত দিন পর কারামুক্ত হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের এই শর্তে মুক্তির নির্দেশ দেয়।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ভবিষ্যতে যন্তরমন্তরে কোনো ধরনের সমাবেশ না করার অঙ্গীকার করে কারামুক্ত হলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।
  • প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে তারা পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন।
  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পতাকা তোলার অভিযোগে সাত দিন রিমান্ড ও পুলিশি হেফাজতে কাটাতে হয় তাদের।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ভারতের রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে আর কখনোই কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবেন না—আদালতে এমন লিখিত অঙ্গীকার দিয়ে কারামুক্ত হয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। টানা সাত দিন পুলিশি হেফাজতে থাকার পর বুধবার দিল্লির একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই শর্তে তাদের জামিন মঞ্জুর করে।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের শুরুর দিকে। ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে বড় ধরনের সমাবেশের ডাক দেয় সিজেপি। তবে সেদিন পুলিশ কাউকেই সমাবেশস্থলে যেতে দেয়নি। উল্টো দলের প্রধান অভিজিৎ দীপসহ সৌরভ ও আশুতোষকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকেই আটক করে পুলিশ। পরদিন তারা মুক্তি পান এবং পারিবারিক কারণে দলের প্রধান বাড়ি ফিরে যান।

দলীয় প্রধান বাড়ি ফিরে গেলেও সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। গত ১৩ অক্টোবর তারা পুলিশের নিষেধাজ্ঞা ভেঙে যন্তরমন্তরে প্রবেশ করেন এবং সেখানে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তখনই তাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে পাঠায় দিল্লি পুলিশ। এর প্রতিবাদে অন্য নেতারা কর্মসূচি দিতে গেলেও তাদেরও আটক করা হয়।

আদালতে শুনানির সময় বিচারক দুই নেতার কাছে জানতে চান, যেখানে সমাবেশ করা নিষিদ্ধ ছিল সেখানে তারা কেন গিয়েছিলেন এবং কোনো অঘটন ঘটলে তার দায় কে নিত। এমন কঠোর প্রশ্নের মুখে দুই নেতাই ভুল স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে যন্তরমন্তরে আর কোনো আন্দোলন না করার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপরই আদালত তাদের মুক্ত করার নির্দেশ দেয়।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ভারতের রাজধানীতে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অন্যতম প্রধান স্থান যন্তরমন্তর। সেখানে সভা-সমাবেশের ওপর প্রশাসনের বিধিনিষেধ এবং তা অমান্য করে নতুন রাজনৈতিক শক্তির প্রতিবাদের বিষয়টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমানা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আদালতের এমন শর্তসাপেক্ষ মুক্তি আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণে দলগুলোকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম