সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে ভারত পুরোপুরি ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ভারতের আসামে বাঙালি মুসলিমদের বাড়িঘর ও মসজিদ উচ্ছেদের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ভারত সরকার মুসলিমসহ সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জানমাল রক্ষায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত পদক্ষেপ দাবি করেন।
- আসামে উচ্ছেদ অভিযানের নামে ১ হাজার ১০০টির বেশি বাড়ি ও ১০টি প্রাচীন মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ।
- ক্ষতিগ্রস্ত বহু মানুষকে পুনর্বাসন ছাড়াই গৃহহীন ও ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি।
- সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিত নিপীড়নের জন্য ভারত সরকারকে আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ভারতের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দিতে বর্তমান ভারত সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান। ভারতের আসামে সম্প্রতি পরিচালিত এক অভিযানে ১ হাজার ১০০টির বেশি বাঙালি মুসলিমের বসতবাড়ি এবং ১০টির মতো মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দখল উচ্ছেদের অজুহাত দেওয়া হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দেশ ভাগের অনেক আগে থেকেই ওইসব জমিতে পুরুষানুক্রমে বসবাস করে আসছিল। কোনো ধরনের বিকল্প পুনর্বাসন না করেই তাদের পথে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং কাউকে কাউকে বন্দিশিবিরে আটক রাখা হয়েছে। গত এক দশকে আসামে প্রায় ১৯ হাজার পরিবার এমন জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার হয়েছে বলে তিনি তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের পদক্ষেপ নিছক কোনো উচ্ছেদ অভিযান নয়, বরং হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির আওতায় মুসলিমদের নাগরিকত্বহীন ও কোণঠাসা করার সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা। তিনি বলেন, অর্ধশত বছরের পুরোনো মসজিদ ভেঙে দেওয়ার মতো ঘটনা ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। মুসলিমদের পাশাপাশি খ্রিষ্টান, শিখ এবং দলিত সম্প্রদায়ও আজ সেখানে সমানভাবে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
এ পরিস্থিতিতে মানবাধিকার রক্ষা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এই নেতা। তিনি বলেন, ভারত সরকারকে অবশ্যই তার সব নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিটি ঘটনার জন্য আন্তর্জাতিক মহলে জবাবদিহি করতে হবে।
“আসামে সাম্প্রতিক উচ্ছেদ অভিযান শুধু প্রশাসনিক কোনো ভূমি উদ্ধার প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি দীর্ঘদিনের নাগরিকত্ব বিতর্ক ও রাজনৈতিক সমীকরণের সঙ্গে জড়িত। প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনীতিকদের এ ধরনের সরাসরি প্রতিক্রিয়া আঞ্চলিক কূটনীতি ও সীমান্ত সংবেদনশীলতায় নতুন বার্তা তৈরি করতে পারে। মানবাধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নাগরিক সুরক্ষার বিষয়টি উভয় দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



