গুলিস্তানে ফুটপাত থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর গুলিস্তানের ফুটপাত থেকে অচেতন অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ধারণা করছে অসুস্থতার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
- গুলিস্তান মতিউর রহমান পার্কের সামনের ফুটপাত থেকে আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার।
- টহল পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে পল্টন থানা পুলিশ তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
- সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় মতিউর রহমান পার্কের সামনের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির নিথর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে পথচারী ও টহল পুলিশ ওই ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত সহায়তার উদ্যোগ নেয়। পরে পল্টন থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
সকাল আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে সার্জেন্ট আহাদ পুলিশ বক্স ফাঁড়ির টহল দল প্রথমে ওই ব্যক্তিকে ফুটপাতে পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক অভি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে উদ্ধার করে সোয়া আটটার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৪০ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, কোনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক অসুস্থতা বা ঠান্ডাজনিত জটিলতার কারণে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে। পরিচয় শনাক্তে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে কাজ শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট।
সিআইডির সদস্যরা ইতোমধ্যে মরদেহের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করেছেন এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ডেটাবেজের সহায়তায় তার পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত হলে স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি এই ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তাও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসার পর স্পষ্ট হবে।
“রাজধানীর ব্যস্ততম ফুটপাতগুলোতে বাস্তুহারা বা অসচ্ছল মানুষদের অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তার দুর্বলতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। পরিচয়হীনভাবে মৃত্যুর ঘটনা কমাতে নিয়মিত নজরদারি ও তাৎক্ষণিক জরুরি উদ্ধার সেবা বাড়ানো প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



