Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

অননুমোদিত মাদ্রাসা নিয়ে সরকারের কড়া পদক্ষেপ চান জবি শিক্ষক

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
অননুমোদিত মাদ্রাসা নিয়ে সরকারের কড়া পদক্ষেপ চান জবি শিক্ষক
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিস্তার জাহান কবীর দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে ওঠা অনুমোদনহীন মাদ্রাসা এবং নারী নিপীড়কদের পক্ষে কথা বলা ভুয়া ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান ও তদারকি দাবি করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • অনুমোদনহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে সরকারের কার্যকর তদারকি ও অবস্থান চান জবি শিক্ষক।
  • শিশু নিপীড়কদের পক্ষ নিয়ে জানাজা না পড়ার ফতোয়া দেওয়া ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি।
  • ধর্মের অপব্যবহার ও ভুয়া ফতোয়াবাজি বন্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

দেশের আনাচে-কানাচে নিয়মবহির্ভূতভাবে গড়ে ওঠা বিভিন্ন মাদ্রাসা এবং সেগুলোর কার্যক্রম নিয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান দেখতে চেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক নিস্তার জাহান কবীর। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি অভিযোগ করেন, অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ভাঙা হচ্ছে এবং অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা চলছে। অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান এবং অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এখন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

নিজের বক্তব্যে তিনি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এক বাবা তাঁর ছোট্ট মেয়ের ওপর নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর ক্ষোভ সামলাতে না পেরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে মারধর করেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অপরাধীর বিচারের বদলে উল্টো কিছু লোক নতুন ফতোয়া জারি করে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অপরাধের প্রতিবাদ করলে জানাজা না পড়ানোর হুমকি দেওয়া কোনো ধর্মীয় নীতি হতে পারে না। জানাজা পড়ানোর জন্য কেবল ভালো ও সৎ মানুষের প্রয়োজন, কোনো বিশেষ ফতোয়াবাজের নয়।

অধ্যাপক নিস্তার জাহান আরও উল্লেখ করেন, যারা নিজেদের আলেম বা ওলামা দাবি করছেন, তাঁদের অনেকেরই কথা ও কাজের মিল নেই। শিশু নিপীড়নকারী বা দুর্নীতিবাজদের সামাজিক ও ধর্মীয়ভাবে বর্জন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অন্যায়কারীর পক্ষ নিয়ে সমাজকে বিভ্রান্ত করে, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। এ ধরনের আচরণে ধর্মকে সাধারণ মানুষের কাছে ছোট করা হচ্ছে বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি মনে করেন, গ্রামে-গঞ্জে থাকা সব মাদ্রাসার সরকারি অনুমোদন আছে কি না তা কঠোরভাবে খতিয়ে দেখা দরকার। রাষ্ট্র যদি এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর সঠিক নজরদারি বাড়ায়, তবে অপকর্মের সুযোগ অনেকটাই কমে আসবে। একই সঙ্গে ধর্মের নাম ভাঙিয়ে দেওয়া ভুয়া ফতোয়াবাজি বন্ধ হবে এবং সত্যিকার অর্থে একটি সচেতন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আধুনিকীকরণ ও নজরদারি দীর্ঘদিন ধরেই একটি আলোচিত বিষয়। কোনো অপকর্মের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং ভুয়া ধর্মীয় অনুশাসন ঠেকাতে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও আইনি তদারকি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম