কূটনৈতিক পাসপোর্টে ভিসা ছাড়াই যাতায়াতে কম্বোডিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার চুক্তি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ভিসা ছাড়া যাতায়াতের সুবিধা দিতে এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাড়াতে দুটি নতুন চুক্তি করেছে কম্বোডিয়া ও ক্রোয়েশিয়া। কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে এই সমঝোতা হয়। কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তির বছরে এই পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল।
- কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীরা এখন থেকে ভিসা ছাড়াই উভয় দেশে যাতায়াত করতে পারবেন।
- কূটনৈতিক শিক্ষা ও কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়াতে যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু হবে।
- দুই দেশের কূটনৈতিক বন্ধুত্বের ৩০ বছর পূর্তির অংশ হিসেবে চুক্তিগুলো সই হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের যাতায়াত সহজ করতে এবং কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সই করেছে কম্বোডিয়া ও ক্রোয়েশিয়া। রাজধানী নমপেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কম্বোডিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সোখোন এবং ক্রোয়েশিয়ার পররাষ্ট্র ও ইউরোপীয় বিষয়ক মন্ত্রী গোরদান গ্রলিচ রাদমান নিজ নিজ দেশের পক্ষে নথিতে সই করেন। কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছে।
চুক্তি সইয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার আগে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। চলতি বছর কম্বোডিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে। গত তিন দশকে আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে দেশ দুটির পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া কতটা গভীর হয়েছে, বৈঠকে তা তুলে ধরা হয়।
সফররত ক্রোয়েশিয়ার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনায় দুই পক্ষই বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। নতুন এই চুক্তির ফলে কেবল সরকারি ও কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের সফর সহজ হবে না, বরং আন্তর্জাতিক কূটনীতির আধুনিক কৌশল বিনিময়ে দুই দেশের প্রশিক্ষণ একাডেমিগুলো যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে বলে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের মধ্যকার সম্পর্ক সম্প্রসারণে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা। ভিসা অব্যাহতি ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে সরকারি যোগাযোগ বাড়বে, যা ভবিষ্যতে বাণিজ্য, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন পথ উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“এই চুক্তি কেবল সরকারি কর্মকর্তাদের যাতায়াত সহজ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইউরোপ ও আসিয়ান অঞ্চলের দুটি উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যবর্তী সম্পর্ক জোরদারের কৌশলগত প্রতিফলন। কূটনৈতিক সম্পর্কের তিন দশক পূর্তিতে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিনিময় দীর্ঘমেয়াদে দ্বিপক্ষীয় প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ককে আরও সংহত করবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



