মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং ‘মুখে ল’ গ্রুপের দিদার গ্রেপ্তার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বোটঘাট এলাকা থেকে কুখ্যাত কিশোর গ্যাং ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য মো. দিদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও মারামারির একাধিক মামলা রয়েছে।
- মোহাম্মদপুরের বোটঘাট এলাকা থেকে গ্যাং সদস্য দিদারকে আটক করে পুলিশ।
- আটক দিদার কুখ্যাত কিশোর গ্যাং ‘মুখে ল’ গ্রুপের সঙ্গে জড়িত।
- তার বিরুদ্ধে থানায় মারামারি ও ডাকাতির প্রস্তুতির বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সক্রিয় সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে চালানো বিশেষ অভিযানে মো. দিদার (২৭) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে মোহাম্মদপুরের বোটঘাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দিদার স্থানীয়ভাবে আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘মুখে ল’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য হিসেবে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দিদার মোহাম্মদপুরের কাটাশুরের নামার বাজার এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি ওই এলাকায় জাওরা রাব্বি ও ভান্ডারি ইমনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ‘মুখে ল’ গ্যাংয়ের হয়ে অপরাধ চালাতেন। মোহাম্মদপুর থানায় তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক মারামারি ও ডাকাতির প্রস্তুতির মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছিল।
তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. জুয়েল রানা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রায়েরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আক্কেল আলীর নেতৃত্বে বোটঘাট এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে হাতেনাতে দিদারকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ দল। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও নিশ্চিত করেছেন এই কর্মকর্তা।
মোহাম্মদপুর ও রায়েরবাজার সংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য ও ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং গ্যাং কালচার পুরোপুরি বন্ধ করতে পুলিশি তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
“রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যা। ছোটখাটো অপরাধ দিয়ে শুরু হয়ে এসব দল বড় ধরনের ডাকাতি ও খুনাখুনিতে জড়িয়ে পড়ছে। মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে গ্যাং নেটওয়ার্ক পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়াই এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



