ফেনীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, দুপুরেই গ্রেপ্তার ১৩ নেতাকর্মী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ফেনীতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সামাজিক মাধ্যমে মিছিলের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
- ফেনী শহরতলির কালিপাল দশমীঘাট এলাকায় সকালে ২৫-৩০ জন তরুণ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ব্যানারে মিছিল বের করেন।
- মিছিলে শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সাবেক এমপির পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয় এবং মুখে মাস্ক পরিহিত ছিলেন নেতাকর্মীরা।
- ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর দুপুরে সহদেবপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চার কিশোরসহ ১৩ জনকে আটক করে পুলিশ।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ফেনী শহরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ব্যানারে হঠাৎ ঝটিকা মিছিল করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে শহরতলির কালিপাল দশমীঘাট সংলগ্ন এলাকায় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে এই মিছিল বের করা হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন। সেখানে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন তরুণ অংশ নেন এবং দ্রুত সড়ক প্রদক্ষিণ করে সটকে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিছিলের সময় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের হাতে জাতীয় পতাকা এবং ছাত্রলীগের দলীয় পতাকা ছিল। তাদের অনেকের মাথায় হলুদ ক্যাপ এবং মুখে কালো মাস্ক পরা অবস্থায় দেখা যায়। মিছিলে তারা আওয়ামী লীগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ফেনী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিমের পক্ষে নানা স্লোগান দেন। প্রায় ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও দুপুরের দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।
ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরই অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দুপুরে শহরের সহদেবপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জনকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়াদের মধ্যে মো. হেলাল তুহিন, এনায়েত হোসেন, মো. হাসানসহ নয়জন তরুণ এবং ১৭ বছর বয়সী চার কিশোর রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বাড়ি সোনাগাজী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক সাজিদ কামাল জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষে ঝটিকা মিছিল করার ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি এই কর্মসূচিতে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।
“সরকারি নিষেধাজ্ঞার পরও তৃণমূল পর্যায়ে ঝটিকা মিছিলের মাধ্যমে উপস্থিতি জানান দেওয়ার এই চেষ্টা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি সতর্কবার্তা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও দেখে পুলিশের দ্রুত অভিযান ও গ্রেপ্তার প্রদর্শন করে যে নিষিদ্ধ সংগঠনের যে কোনো প্রকাশ্য তৎপরতায় কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হচ্ছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



