দেওয়ানগঞ্জে প্রাইভেটকারভর্তি ভারতীয় মদসহ ধরা পড়লেন দুজন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ঢাকা-রৌমারী সড়কে একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বিজিবি। এ সময় পাচারের সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তাদের বহনকারী গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।
- জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সীমান্তে ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বিজিবি।
- টাঙ্গাইল ও গাজীপুরের দুই ব্যক্তিকে একটি প্রাইভেটকারসহ হাতেনাতে ধরা হয়।
- উদ্ধার হওয়া মদ ও জব্দ করা গাড়ির আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়নের মধ্যেরচর এলাকায় ঢাকা-রৌমারী সড়কে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে চালানটি ধরা হয়। গোপন খবরের ভিত্তিতে ৩৫ বিজিবির ঝাওডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে আটক ব্যক্তিরা হলেন টাঙ্গাইল সদর এলাকার রিপন সাহা এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার আলাল উদ্দিন। তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেটকারের ভেতর লুকিয়ে রাখা ২১৫ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। বিজিবির প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জব্দ হওয়া মদ ও গাড়িটির বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ৩৬ হাজার ৩০০ টাকা। সীমান্ত পেরিয়ে চালানটি সরাসরি রাজধানীতে নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষিত রাখা এবং যেকোনো ধরনের চোরাচালান ঠেকাতে বিজিবি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। উদ্ধার করা মদ ও জব্দ করা প্রাইভেটকারসহ আটক দুজনকে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, বিজিবির পক্ষ থেকে আটক ব্যক্তিদের থানায় হস্তান্তরের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আইনি সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হবে। সীমান্তকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে কারা এই চক্র পরিচালনা করছে, সে বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।
“সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোকে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করে ঢাকা অভিমুখী মাদক চোরাচালানের তৎপরতা উদ্বেগজনক। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দেওয়ার এই কৌশল রুখতে গোয়েন্দা নজরদারি ও যৌথ চেকপোস্টের কার্যকারিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



