প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করায় যুবক আটক
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরকালে তাকে বহনকারী বাসের ছবিসংবলিত একটি ফেসবুক পোস্টে ‘স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করায় আবু বক্কর সিদ্দিকী নামের এক যুবককে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তাকে রাজশাহী থেকে আটক করে ঢাকায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
- প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর নিয়ে ফেসবুকে ‘স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্য করায় আবু বক্কর সিদ্দিকী আটক হন।
- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রাজশাহী থেকে তাকে আটক করে রাজধানীতে নিয়ে আসছে।
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টিকে মারাত্মক অপরাধ বিবেচনা করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চরম আপত্তিকর ও হুমকিমূলক মন্তব্য করায় এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক যুবকের নাম আবু বক্কর সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তাকে রাজশাহী থেকে আটকের পর অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ২০ অক্টোবর বিকেলে। ওইদিন শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে রুয়েটের একটি বাসে চড়ে রাজশাহী শহরে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাজারো সাধারণ মানুষ তাকে হাত নেড়ে অভ্যর্থনা জানান। পরে ‘দ্য বিউটি অব রাজশাহী’ নামের একটি স্থানীয় ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ বাসে চড়ার বিষয়টি উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেওয়া হয়। সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে আবু বক্কর সিদ্দিকী নিজের আইডি থেকে লেখেন, ‘ইস, শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল।’
পোস্টটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে আসে। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সরকারপ্রধানকে লক্ষ্য করে এমন মন্তব্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও সরাসরি ফৌজদারি অপরাধের শামিল। জাতীয় নেতার নিরাপত্তা নিয়ে এমন হুমকির কোনো সুযোগ নেই বলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবু বক্কর সিদ্দিকীকে ঢাকায় নিয়ে আসার পর তার রাজনৈতিক পরিচয়, কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বা কোনো চক্রের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রযোজ্য আইনে মামলা দায়ের করার প্রক্রিয়া চলছে।
“সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বহীন বক্তব্য ও প্রকাশ্য হুমকি প্রতিরোধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ জরুরি, যা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



