সুনামগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার পথে আটক ৩
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি ও এক মানব পাচারকারী দালালকে আটক করেছে বিজিবি। ভারতে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময় বুধবার রাতে তারা ধরা পড়েন।
- দোয়ারাবাজারের আরমানছড়া সীমান্ত এলাকা থেকে দুই নাগরিক ও এক দালালসহ ৩ জনকে আটক করেছে বিজিবি।
- আটককৃতদের মধ্যে আমির নামের স্থানীয় যুবক অর্থের বিনিময়ে সীমান্ত পার করে দেওয়ার কাজ করত।
- অভিযানের সময় সীমান্ত পারাপারে জড়িত স্থানীয় আরও দুই সহযোগী পালিয়ে গেছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় দুই বাংলাদেশি এবং এক মানব পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার রাতে উপজেলার আরমানছড়া এলাকায় বাঁশতলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। সীমান্ত পারাপার বন্ধে বিজিবির নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, আটক পাচারকারীর নাম আমির (২২)। তিনি দোয়ারাবাজারের ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা। বাকি দুজন হলেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার আবুল হোসেন (৪২) এবং শার্শা উপজেলার ফাতেমা (১৮)। তারা উভয়েই ভারতে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে ওই দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোনোর চেষ্টা করছিলেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আমির টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্ত পার করে ভারতীয় দালালদের হাতে তুলে দিতেন। বিজিবির অভিযানের সময় এই চক্রের আরও দুই সহযোগী পালিয়ে যায়। তারা হলেন দোয়ারাবাজারের চৌধুরীপাড়া এলাকার অনিক মিয়া (২৪) ও আলাউদ্দিন (৫৪)। তাদের ধরতেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
সীমান্ত দিয়ে এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার ঠেকাতে কড়া অবস্থানে রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। আটক তিনজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের অভিযোগে মামলা দায়ের করে দোয়ারাবাজার থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপরাধ ও মানব পাচার রুখতে তাদের টহল আরও জোরদার করা হয়েছে।
“সীমান্তে কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও দালাল চক্রের প্রলোভনে পড়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ ধরনের ঘটনা কেবল আইনের লঙ্ঘনই নয়, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকেও চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে। মানব পাচার চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



