প্রিয়াংকার ছেলের ছবি প্রদর্শনীতে কেন এত বিধিনিষেধ বিজেপি সরকারের, কী বলছেন তিনি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাইহান রাজীব ভদ্রের মা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী ভদ্র। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন।
- রাইহান রাজীব ভদ্রের মা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী ভদ্র।
- সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন।
- নানা জায়গায় গতকাল বুধবার নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে বিকানির হাউসে তাঁর তোলা প্রদর্শনীতে মোট ১০৫টি রাইহানকে সরিয়ে দিতে হয়েছে ৭৪টি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাইহান রাজীব ভদ্রের মা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াংকা গান্ধী ভদ্র। সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। নানা জায়গায় গতকাল বুধবার নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে বিকানির হাউসে তাঁর তোলা প্রদর্শনীতে মোট ১০৫টি রাইহানকে সরিয়ে দিতে হয়েছে ৭৪টি। বিপত্তির শেষ ওখানেই হয়নি। কর্তৃপক্ষ রাইহানকে জানায়, ওভাবে ফাঁকা ফ্রেম রাখা যাবে না। গণমাধ্যমকে রাইহান জানিয়েছেন, ‘শিল্পকর্মের ওপর কোনো রকম বাধা সৃষ্টি করা আমি অন্যায় মনে করি।
যত বিধিনিষেধই সৃষ্টি করা হোক, শিল্প তার পথ ঠিকই খুঁজে নেয়। মানুষের কাছে পৌঁছেও যায়। ’ তিনি বলেছেন, এসব। রাইহানের এই প্রদর্শনীর নাম ‘নো আইডিয়া ইজ ফাইনাল’। অনুমতি দেওয়া সত্ত্বেও একেবারে শেষ মুহূর্তে বিকানির হাউস কর্তৃপক্ষ কেন এই কাজ করল, সে বিষয়ে তারা কোনো মন্তব্য করেনি। সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, যোগাযোগ করা সত্ত্বেও বিকানির হাউস কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে সাড়া দেয়নি।
মরু রাজ্য রাজস্থানের বিকানিরের মহারাজা গঙ্গা সিং ১৯২৯ সালে দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে ৮ একর জমির ওপর এই প্রাসাদ তৈরি করেছিলেন। স্বাধীনতার পর রাজস্থান সরকার এই সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে নেয়। বর্তমানে বিজেপিশাসিত রাজস্থান সরকারের রেসিডেন্ট কমিশনার এটির পরিচালক। বিকানির হাউস দিল্লির অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। প্রিয়াংকা তাদের বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি হাস্যকর। দেশের যুব সম্প্রদায়ের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে।
আজ রাইহান, কাল অন্য কোনো শিল্পীর কণ্ঠরোধ করা হবে এভাবে। কংগ্রেস নেতা কার্তি চিদম্বরম বলেছেন, এটা সেন্সরশিপ। এটা অবিবেচকের মতো আচরণ ও অমার্জনীয় অপরাধ। রাইহানের এই প্রদর্শনী থেকে সেই সব তাঁর কথায়, ‘ক্যামেরার লেন্স দিয়ে আন্দোলনকে যেভাবে দেখেছি, তা অন্যদের দেখাতে চেয়েছি। বাইরে থেকে নয়, আন্দোলনের ভেতরে থেকে তা লেন্সবন্দী করার আকর্ষণই আলাদা। গতকাল সন্ধ্যায় তারা বলেছিল, ‘এ বিষয়ে পরে তাদের সিদ্ধান্ত জানানো হবে। পরের দিন গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তারা লিখিতভাবে আপত্তির কথা জানিয়ে দেয়। প্রদর্শনী শুরু হতে তখন আর মাত্র তিন ঘণ্টা বাকি।
“রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মতামত ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিকাশই জাতীয় স্থিতিশীলতার ভিত্তি। গঠনমূলক রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও সংঘাতহীন পরিবেশ দেশ গঠনে ইতিবাচক প্রেরণা জোগাবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



