সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রি, একাধিক ঘর দখল এবং প্রকল্পের কমিউনিটি সেন্টারের আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রকল্পের বসবাসকারী কয়েকজন বাসিন্দা।
- সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রি, একাধিক ঘর দখল এবং প্রকল্পের কমিউনিটি সেন্টারের আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
- এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রকল্পের বসবাসকারী কয়েকজন বাসিন্দা।
- স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে উপজেলার বনবাড়ীয়া গ্রামে ছয়টি সেট নিয়ে নির্মাণ করা হয় সরকারি আবাসন প্রকল্প-১।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের বনবাড়ীয়া গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর বিক্রি, একাধিক ঘর দখল এবং প্রকল্পের কমিউনিটি সেন্টারের আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন প্রকল্পের বসবাসকারী কয়েকজন বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে উপজেলার বনবাড়ীয়া গ্রামে ছয়টি সেট নিয়ে নির্মাণ করা হয় সরকারি আবাসন প্রকল্প-১। সেখানে ৬০টি ভূমিহীন পরিবার বসবাস শুরু করে। পরে ২০০৪ সালে আরও পাঁচটি সেট নির্মাণ করা হলে নতুন করে ৫০টি পরিবার সেখানে বসবাস শুরু করে।
প্রকল্পের দুই নম্বর অংশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ছয়টি পরিবার বসবাস করত। তারা ২০১৮ সাল পর্যন্ত সেখানে বসবাস করেন। কিন্তু বনবাড়ীয়া গ্রামে বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড-২ প্রকল্পের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রহমত আলীসহ কয়েকজন প্রভাবশালী তাদের অত্যাচার ও হয়রানি করেন। এতে পরিবারগুলো আবাসন প্রকল্প ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। এসব পরিবার চলে যাওয়ার পর তাদের ছেড়ে যাওয়া ঘরগুলো সুযোগ বুঝে অন্যদের কাছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া প্রকল্পের কমিউনিটি সেন্টারের আসবাবপত্র বিক্রি এবং একাধিক ঘর অবৈধভাবে দখল করে রাখারও অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে প্রকল্পের কয়েকজন বাসিন্দা উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এরই মধ্যে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তদন্ত শুরু করেছেন। ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রকল্পের সভাপতি আমজাদ হোসেন ও সাধারণ রহমত আলী নিজের প্রভাব খাটিয়ে হিন্দু সম্প্রদয়ের ছয়টি ঘর অন্যদের কাছে বিক্রি করে দেন।
সভাপতি আমজাদ হোসেনের নিজ নামে একটি ঘর বরাদ্দ থাকলেও তিনি পাঁচটি ঘর ব্যবহার করছেন। সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী নিজ নামে একটি ঘর বরাদ্দ থাকলেও তিনি দুটি ঘর দখল করে রয়েছেন। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত, সরকারি সম্পদ উদ্ধারের পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। অভিযুক্ত বনবাড়ীয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড-২ প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয় সব মিথ্যা, আমি একটি ঘর ব্যবহার করছি। ’ উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন বলেন, ‘বনবাড়িয়া সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর দখলসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করেছি। প্রাথমিকভাবে তদন্তের সত্যতা পাওয়া গেছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।
“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



