প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই জাপানের রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনল সরকার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে টোকিওতে থাকা বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফেরত আনা হয়েছে। সফরকালীন সব কূটনৈতিক ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সামলাতে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে টোকিও পাঠানো হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলামকে।
- জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে আকস্মিকভাবে ঢাকায় ডেকে এনেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরে রাষ্ট্রদূতের জায়গায় সমন্বয়ের মূল দায়িত্বে থাকবেন সচিব মো. নজরুল ইসলাম।
- ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হলেও সফরের কোনো প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে যুক্ত রাখা হয়নি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরের ঠিক আগমুহূর্তে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ এই রাষ্ট্রীয় সফরের সময় তিনি জাপানে থাকছেন না, বরং তাঁকে ঢাকায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্র এই রদবদলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও কূটনৈতিক বিষয়গুলো তদারকি করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপক্ষীয় বিষয়াবলি) মো. নজরুল ইসলামকে বিশেষ দায়িত্বে টোকিও পাঠানো হয়েছে। তিনি ইতিমধ্যে জাপানের রাজধানী টোকিওতে পৌঁছে গেছেন এবং সফরের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর আগে গত ১৫ অক্টোবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি জরুরি চিঠির মাধ্যমে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে ঢাকায় তলব করা হয়। চিঠি পাওয়ার দুই দিনের মধ্যেই তিনি দেশে ফেরেন। সফর নিয়ে আলোচনার কথা বলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হলেও প্রস্তুতিমূলক কোনো বৈঠকেই তাঁকে রাখা হয়নি বলে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
একজন শীর্ষ রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরের সময় সংশ্লিষ্ট দেশে অবস্থানরত রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। কূটনৈতিক মহলে বিষয়টিকে অস্বাভাবিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সফরটি নির্বিঘ্ন ও কার্যকর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জাপানের সাথে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে।
“শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের ঠিক আগে বর্তমান রাষ্ট্রদূতকে ঢাকায় ডেকে পাঠানো এবং বিকল্প হিসেবে সচিবকে পাঠানো একটি বিরল কূটনৈতিক সিদ্ধান্ত। এটি সাধারণত মিশন প্রধানের কাজে সরকারের অসন্তোষ বা কোনো অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



