জরুরি মেরামতের নামে ২১ কোটি টাকা লুটপাট, বিপদে পাউবোর কর্তারা
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বগুড়া সার্কেলের অধীনে আপদকালীন জরুরি মেরামত কাজের নামে প্রায় ২১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় ৭৯টি প্যাকেজের বিপরীতে ভুয়া ও অসম্পূর্ণ কাজের মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বগুড়া সার্কেলের অধীনে আপদকালীন জরুরি মেরামত কাজের নামে প্রায় ২১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
- প্রায় ৭৯টি প্যাকেজের বিপরীতে ভুয়া ও অসম্পূর্ণ কাজের মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
- অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দুদকের বগুড়া জেলা কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে পর্যালোচনা শুরু করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বগুড়া সার্কেলের অধীনে আপদকালীন জরুরি মেরামত কাজের নামে প্রায় ২১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় ৭৯টি প্যাকেজের বিপরীতে ভুয়া ও অসম্পূর্ণ কাজের মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দুদকের বগুড়া জেলা কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে পর্যালোচনা শুরু করা হয়েছে। এ দুর্নীতির পেছনে পাউবোর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম ও নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হকসহ কয়েকজন কর্মকর্তার নাম উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওই কর্মকর্তা জানান, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তৎকালীন পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের বরাবর এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছিল। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন থেকে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাউবোর বগুড়া সার্কেলের অধীন পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ (পওর) বিভাগের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সামান্য কাজ করে বা কোনো কাজ না করেই পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে নন-ডেভেলপমেন্ট রেভিনিউ (এনডিআর) কর্মসূচির আওতায় প্রকাশিত ৭৭টি গ্রুপ দরপত্রে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। অভিযোগে উঠেছে, মাত্র ৮-১০ জন চিহ্নিত ঠিকাদারকে কিছু কাজ দিয়ে বাকি কাজগুলো ভাড়া করা লাইসেন্সের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের লোকদের পাইয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে এসব কাজের বিপরীতে প্রকৃত কাজের চেয়ে কয়েক গুণ অতিরিক্ত বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২৩ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে প্রকাশিত লিমিটেড টেন্ডারিং মেথডের (এলটিএম) আওতায় ২০টি গ্রুপের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২ কোটি টাকা।
ওই কাজও পুরোপুরি সম্পন্ন না করেই বরাদ্দের অর্থ উত্তোলন ও ভাগবাটোয়ারা করা হয়েছে। এমনকি বন্যা প্রতিরোধের অজুহাতে বগুড়ার ইছামারা ও কামালপুরসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টে একই জায়গায় বারবার ভুয়া জরুরি কাজ দেখিয়ে টাকা তোলার প্রমাণ মিলেছে। শুধু তা-ই নয়, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কোনো ধরনের দরপত্র ছাড়াই প্রায় ১০০ কোটি টাকার তথাকথিত জরুরি কাজের ভুয়া বিল তৈরি ও উত্তোলনেরও অভিযোগ রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম।
“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



