Read in English
পাঠক সুবিধা:
রাজনীতিব্রাহ্মণবাড়িয়া

নিরাপত্তা না পেয়ে সরাইল থানায় ক্ষোভ ঝাড়লেন রুমিন ফারহানা

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
নিরাপত্তা না পেয়ে সরাইল থানায় ক্ষোভ ঝাড়লেন রুমিন ফারহানা
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা না পাওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি ওসির বিরুদ্ধে পক্ষপাত ও দুর্নীতির নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। অন্যদিকে ওসি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, সংসদ সদস্য দলবল নিয়ে থানায় এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • পূজার সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে না পাওয়ার অভিযোগে সরাইল থানায় যান ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
  • ওসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ঘেঁষা আচরণের কড়া অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য।
  • সব অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি জানান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার নিয়ম না মেনে থানায় বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়ার ওপর তীব্র ক্ষোভ ঝেড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে তিনি অনুসারীদের নিয়ে থানায় প্রবেশ করেন এবং ওসির কক্ষে বসে সরাসরি নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, দুর্গাপূজার উৎসব চলাকালে তিনি নিজের জন্য নিরাপত্তা চেয়েছিলেন, কিন্তু সরাইল থানা পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অথচ পার্শ্ববর্তী বিজয়নগর ও আশুগঞ্জ এলাকায় তাঁকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।

ওসির কক্ষে বসে রুমিন ফারহানা দাবি করেন, একজন জনপ্রতিনিধি নিরাপত্তা চাইলে পুলিশ তা নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকলেও সরাইল থানা তা মানেনি। শুধু তাই নয়, তিনি ওসির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ নেওয়া, বালু ও মাটি কাটার ব্যবসা এবং ইটভাটা থেকে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, এই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে কাজ করছেন এবং সাধারণ মানুষের ফোন ধরেন না। রুমিন ফারহানার সঙ্গে থাকা লোকজনও থানার ভেতরে নানা অসন্তোষের কথা তুলে ধরেন, যার ফলে পুরো থানা চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

তবে রুমিন ফারহানার তোলা সমস্ত অভিযোগকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওসি মোহাম্মদ মনজুর কাদের ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য গানম্যান বা বিশেষ দল বরাদ্দ দেওয়ার এখতিয়ার থানার ওসির নেই, এজন্য পুলিশ সুপারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হয়। ওসি জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতার বাড়িতে গিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেননি এবং যেসব ইটভাটা থেকে টাকা নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো বর্ষার পানিতে এখন ডুবে রয়েছে। তাঁর মতে, সংসদ সদস্য কিছু মানুষকে শিখিয়ে নিয়ে এসে থানায় অহেতুক বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছেন।

ঘটনার সময় থানার বাইরে সংসদ সদস্যের অনুসারীরা ওসির বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন, যা আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে। থানার ভেতরে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে তর্ক ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে। পুলিশ প্রশাসনের স্থানীয় দায়িত্ব ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সম্পর্কের এই টানাপোড়েন এলাকাটিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে এমন মুখোমুখি সংঘাত প্রশাসনিক ব্যবস্থার ভারসাম্যহীনতাকে সামনে আনে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন ও দায়িত্ব পালন যেমন জরুরি, তেমনি পুলিশের নিরপেক্ষতা বজায় রাখাও আস্থার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম