পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ঢুকতে দেওয়া হবে না: ইরান
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, ওয়াশিংটনের কোনো যুদ্ধজাহাজকে আর পারস্য উপসাগরে ঢুকতে দেওয়া হবে না। তিনি মার্কিন নৌবহরকে অকার্যকর আখ্যা দিয়ে জানান, নিজেদের জলসীমা রক্ষায় তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত।
- পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে পুনরায় ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা ইরানের।
- মার্কিন নৌবাহিনীকে 'অকার্যকর' দাবি করে কড়া বার্তা দেন ইরানি সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি।
- আমেরিকার ক্ষমতা প্রদর্শনের দিন শেষ এবং তারা এখন ইরানের জলসীমার কাছে আসার সক্ষমতা হারিয়েছে বলে দাবি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আমেরিকার কোনো যুদ্ধজাহাজকে আর কোনোভাবেই পারস্য উপসাগরে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি জানান, ওয়াশিংটনের সামরিক বাহিনীকে কার্যকরভাবে প্রতিহত করার মতো পূর্ণ সক্ষমতা অর্জন করেছে তেহরান। শনিবার ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে এই চাঞ্চল্যকর খবর প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।
মেজর জেনারেল আবদুল্লাহি দাবি করেন, একসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং ওয়াশিংটনের নীতি-নির্ধারকেরা যে নৌবাহিনীকে ক্ষমতা প্রদর্শনের মূল হাতিয়ার মনে করতেন, তা এখন অকেজো হয়ে পড়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, পুরো বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যকে ভয় দেখাতে আমেরিকা এই বাহিনীকে ব্যবহার করলেও ইরানের শক্ত অবস্থানের কারণে তাদের সেই প্রভাব কার্যত ভেঙে পড়েছে।
ইরানি সেনাপ্রধান আরও জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর আর এমন কোনো শক্তি নেই যা দিয়ে তারা পারস্য উপসাগর কিংবা ইরানের আঞ্চলিক জলসীমায় ভিড়তে পারে। তিনি মন্তব্য করেন, নিজেদের সেনাবহর নিয়ে পারস্য উপসাগরে ফেরার ইচ্ছা কেবল মার্কিন নেতৃত্বের স্বপ্নেই থাকবে এবং এই চাওয়া তাদের সঙ্গেই কবরে যাবে।
পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলসীমায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক টানাপোড়েন চলছে। আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রুটে ইরানের এমন কঠোর বার্তা নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি বিশ্লেষকেরা।
“পারস্য উপসাগরে ইরানের এই সরাসরি হুঁশিয়ারি মূলত ওয়াশিংটনের সামরিক আধিপত্যকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানোর একটি ধারাবাহিক কৌশল। জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম সংবেদনশীল এই রুটে তেহরানের এমন অবস্থান অঞ্চলটিতে সামরিক নজরদারি ও উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



