Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

ফ্রান্সের পারমাণবিক মহড়ায় প্রথমবার অংশ নিল ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
ফ্রান্সের পারমাণবিক মহড়ায় প্রথমবার অংশ নিল ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ইউরোপের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং নতুন সামরিক হুমকি মোকাবিলায় একসঙ্গে মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। ভূমধ্যসাগরের আকাশে ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন রাফাল যুদ্ধবিমানকে পাহারা দিয়ে নিয়ে যায় ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর টাইফুন ফাইটার জেট।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ফ্রান্সের ‘রামি’ নামের গোপন পারমাণবিক মহড়ায় প্রথমবারের মতো সরাসরি অংশ নিয়েছে যুক্তরাজ্যের যুদ্ধবিমান।
  • ফরাসি রাফাল যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশপথে সুরক্ষা দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেয় ব্রিটিশ টাইফুন জেট।
  • ফ্রান্সের কাছে বর্তমানে প্রায় ২৯০টি এবং যুক্তরাজ্যের কাছে ২২৫টি কার্যকর পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ইউরোপের সার্বিক আকাশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদার করতে এক ঐতিহাসিক সামরিক পদক্ষেপে অংশ নিয়েছে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। ভূমধ্যসাগরের আকাশে আয়োজিত ফ্রান্সের পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষ মহড়ায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানবাহিনীর আধুনিক যুদ্ধবিমান। ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই যৌথ মহড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দুই প্রতিবেশী পরাশক্তির মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা অনেক গুণ বেড়েছে।

ফরাসি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ‘রামি’ নামের এই বিশেষ সামরিক মহড়াটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরিচালনা করা হয়। ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাঁ-দিজিয়ে বিমানঘাঁটি থেকে ফ্রান্সের রাফাল যুদ্ধবিমানগুলো আকাশে ওড়ে। একটি কাল্পনিক পারমাণবিক হামলার পরিস্থিতি তৈরি করে পরিচালিত এই অভিযানে ফরাসি বোমারু বিমানগুলোকে সার্বক্ষণিক পাহারা ও সুরক্ষা দেয় যুক্তরাজ্যের টাইফুন ফাইটার জেট। নিখুঁত পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে আকাশেই দুই দেশের সমন্বিত শক্তির সফল পরীক্ষা চালানো হয়।

এই যৌথ মহড়া নিয়ে ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ জানান, দুই দেশের আলাদা পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার থাকলেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে কোনো বাধা নেই। বরং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ফ্রান্সের সামরিক বোঝাপড়া এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সুদৃঢ়। একই সুরে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং মন্তব্য করেছেন, বর্তমানের এই বিপজ্জনক ও অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে ইউরোপের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতেই দুই দেশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে।

ইউরোপের নিজস্ব প্রতিরক্ষা স্বনির্ভরতা গড়ে তোলার তাগিদ থেকেই এই পারমাণবিক অংশীদারিত্ব গতি পেয়েছে। বর্তমানে ফ্রান্সের কাছে প্রায় ২৯০টি এবং যুক্তরাজ্যের অস্ত্রাগারে ২২৫টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। যদিও রাশিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় এই সংখ্যা অনেকটাই কম, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রতিরক্ষানীতির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের নিজস্ব নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই যৌথ মহড়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের এই যৌথ পারমাণবিক মহড়া ইউরোপের নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি বড় প্রমাণ। বিশেষ করে মার্কিন রাজনীতির অনিশ্চয়তা এবং পূর্ব ইউরোপে রাশিয়ার আগ্রাসী ভূমিকার প্রেক্ষাপটে ইউরোপের দুই পারমাণবিক পরাশক্তি নিজেদের মধ্যকার ঐতিহাসিক দূরত্ব কমিয়ে বাস্তবমুখী প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে এগোচ্ছে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম