প্রাথমিক পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ১১ সেক্টরের প্রস্তুতি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। এতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য, ভাষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ এবং মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার তথ্য পড়ানো হচ্ছে।
- ১৯৪৭ সালের পর থেকেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের ওপর ভাষা ও সংস্কৃতির দিক দিয়ে অন্যায় আচরণ শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবাইকে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার ডাক দেন।
- ২৬ ও ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার বিষয়টিও পাঠে এসেছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিকে সামনে রেখে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণীত পাঠে পাকিস্তানি শাসকদের অন্যায় শাসন, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের বিবরণ রাখা হয়েছে। নতুন প্রজন্ম যেন দেশের জন্মের সঠিক প্রেক্ষাপট সহজে বুঝতে পারে, সেজন্য প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো উপস্থাপন করা হচ্ছে।
১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা দিনগুলোর ধারাবাহিক বিবরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে এই বিশেষ পাঠ। রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত প্রস্তুতির কথা এখানে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর হামলার পর বীর বাঙালিদের ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে।
পাঠ্যবইয়ের প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা লগ্নে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার কথা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া যুদ্ধ পরিচালনায় সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করার কৌশলগত ইতিহাসও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শেখানো হচ্ছে। শিক্ষক ও অভিভাবকেরা মনে করছেন, সহজ ভাষায় এই ইতিহাস পড়ানোর ফলে শিশুদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাসবোধ দৃঢ় হবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, পাঠ্যবইয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল ঘটনাগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। প্রাথমিক স্তর থেকেই যদি শিক্ষার্থীরা সঠিক ইতিহাস জেনে বড় হয়, তবে তারা ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকবে। শিশুদের উপযোগী এমন প্রশ্নোত্তর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বড় ভূমিকা রাখবে।
“প্রাথমিক শিক্ষার স্তরে মুক্তিযুদ্ধের মতো সংবেদনশীল ও জাতীয় ইতিহাসকে সরল অথচ নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরা শিক্ষার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। ইতিহাসের প্রতিটি মাইলফলক যথাযথ সম্মানের সাথে উপস্থাপন করা হলে নতুন প্রজন্ম বিভ্রান্তিমুক্ত হয়ে বড় হতে পারবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



