ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য বড় চমক অপেক্ষা করছে: নেতানিয়াহু
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য বড় ধরনের চমক অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন প্রতিহত করাই তার মূল লক্ষ্য।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গোপন ও বড় ধরনের পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
- আসন্ন আইনসভা নির্বাচনের আগে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ঠেকানোকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
- নতুন আরও কয়েকটি দেশ কোনো শর্ত ছাড়াই আব্রাহাম চুক্তিতে যুক্ত হতে পারে বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জন্য সামনে বড় ধরনের বিস্ময় অপেক্ষা করছে বলে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনার পর সেখানে জোরালো সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে সামলাতে তারা এমন কিছু পরিকল্পনা করছেন যা এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
আইনসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে দেওয়া ওই বক্তব্যে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করেন যে, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকানো। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে তিনি জানান, আকস্মিক পদক্ষেপের সুবিধা পেতেই কৌশলগুলো গোপন রাখা হয়েছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, কৌশলগত অবস্থানের কারণেই ইসরায়েল আগেভাগে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপের কথা কাউকে জানাতে চায় না।
একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে নেতানিয়াহু দাবি করেন, আব্রাহাম চুক্তির পরিধি আরও বাড়ছে। খুব দ্রুতই দুইয়ের বেশি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারে। তার মতে, যেসব দেশ নতুন করে এই সমঝোতায় আসতে চাইছে, তারা কেউ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের কোনো পূর্বশর্ত দিচ্ছে না। কারণ ওই দেশগুলো ভালো করেই জানে যে ইসরায়েল এই শর্ত কখনো মেনে নেবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে জাতীয় নিরাপত্তা ও ফিলিস্তিন ইস্যু সামনে এনে কট্টরপন্থীদের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টা করছেন নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্যকে বদলে দেওয়ার যে দাবি তিনি করছেন, তা মূলত ওই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে আরও কোণঠাসা করার একটি কৌশল। পশ্চিম তীরে চলমান সামরিক তৎপরতা এবং নেতানিয়াহুর এমন আগ্রাসী মন্তব্য পুরো অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
“বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই হুঁশিয়ারি মূলত তার নির্বাচনী রাজনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের আগ্রাসী অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনকে পুরোপুরি অসম্ভব করে তোলার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে দুর্বল করাই তার অন্যতম লক্ষ্য। আব্রাহাম চুক্তির প্রসারের দোহাই দিয়ে ফিলিস্তিন সংকটকে উপেক্ষা করার এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির বদলে নতুন সংঘাতকেই উসকে দেবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



