Read in English
পাঠক সুবিধা:
রাজনীতি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে নতুন ‘আইডিয়া’ সংবিধান সংশোধন কমিটিতে

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে নতুন ‘আইডিয়া’ সংবিধান সংশোধন কমিটিতে
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময়ে নতুন এ ধারণা উঠে আসে। সংসদ দুই কক্ষের হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায় কি না—এমন একটি ধারণা সভায় আলোচনায় আসে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কমিটির সভা শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। এতে ৪৪ জন অংশ নেন। নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময়ে নতুন এ ধারণা উঠে আসে। সংসদ দুই কক্ষের হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায় কি না—এমন একটি ধারণা সভায় আলোচনায় আসে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কমিটির সভা শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। এতে ৪৪ জন অংশ নেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, প্রধান ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক সংস্থা করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়ানো, নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ বছর ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ৬ বছর করা, ৬৪ জেলা থেকে ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠন করা, সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোট দেওয়া, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগে নিরপেক্ষ বাছাই কমিটির বিধান করা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে দেওয়ার মতো প্রস্তাব এসেছে। অবশ্য বাংলাদেশের মতো দেশে উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এর বদলে একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা যায় কি না, সে প্রস্তাবও এসেছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির মতো কয়েকটি কমিটির বাইরে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে দেওয়া; সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কেউ কেউ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সরাসরি সংবিধান সংশোধন হয়ে যায় কি না—এ বিষয়েও আলোচনা হয়। বেশির ভাগ মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে সংসদকে সংশোধনী আকারে রায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, প্রধান ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক সংস্থা করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়ানো, নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ বছর ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ৬ বছর করা, ৬৪ জেলা থেকে ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠন করা, সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোট দেওয়া, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগে নিরপেক্ষ বাছাই কমিটির বিধান করা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে দেওয়ার মতো প্রস্তাব এসেছে। অবশ্য বাংলাদেশের মতো দেশে উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এর বদলে একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা যায় কি না, সে প্রস্তাবও এসেছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির মতো কয়েকটি কমিটির বাইরে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে দেওয়া; সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কেউ কেউ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সরাসরি সংবিধান সংশোধন হয়ে যায় কি না—এ বিষয়েও আলোচনা হয়। বেশির ভাগ মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে সংসদকে সংশোধনী আকারে রায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এবং কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি নতুন ‘আইডিয়া’ এসেছে। ধারণাটি সম্পর্কেও তিনি সাংবাদিকদের জানান। নতুন আইডিয়াটি এ রকম—যদি সংসদের উচ্চকক্ষ গঠিত হয়, এর মেয়াদ নিম্নকক্ষের সঙ্গে শেষ হবে না। উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কি না, সে আলোচনা এসেছে। এ ক্ষেত্রে যদি উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃজন করা হয়, তাহলে উপরাষ্ট্রপতিকে উচ্চকক্ষের স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। বিকল্প হিসেবে এসেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষের স্পিকার নির্বাচিত হবেন। তাঁকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা যায় কি না এবং অন্য উপদেষ্টাদেরও সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে নিযুক্ত করা—সেটার একটা বিধান থাকতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিট
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময়ে নতুন এ ধারণা উঠে আসে। সংসদ দুই কক্ষের হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায় কি না—এমন একটি ধারণা সভায় আলোচনায় আসে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

কমিটির সভা শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। এতে ৪৪ জন অংশ নেন।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠনপদ্ধতি নিয়ে নতুন একটি ‘আইডিয়া’ বা ধারণা পেয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ শনিবার সংবিধান বিশেষজ্ঞ, আইনের অধ্যাপক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের সঙ্গে কমিটির মতবিনিময়ে নতুন এ ধারণা উঠে আসে। সংসদ দুই কক্ষের হলে উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা যায় কি না—এমন একটি ধারণা সভায় আলোচনায় আসে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

কমিটির সভা শেষে বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বেলা ১১টায় বৈঠক শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টার বিরতি দিয়ে বৈঠক শেষ হয় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে। এতে ৪৪ জন অংশ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, প্রধান ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক সংস্থা করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়ানো, নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ বছর ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ৬ বছর করা, ৬৪ জেলা থেকে ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠন করা, সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোট দেওয়া, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগে নিরপেক্ষ বাছাই কমিটির বিধান করা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে দেওয়ার মতো প্রস্তাব এসেছে।

অবশ্য বাংলাদেশের মতো দেশে উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এর বদলে একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা যায় কি না, সে প্রস্তাবও এসেছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির মতো কয়েকটি কমিটির বাইরে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে দেওয়া; সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কেউ কেউ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সরাসরি সংবিধান সংশোধন হয়ে যায় কি না—এ বিষয়েও আলোচনা হয়। বেশির ভাগ মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে সংসদকে সংশোধনী আকারে রায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈঠকে বিচার বিভাগের জন্য স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, প্রধান ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক সংস্থা করা, মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়ানো, নিম্নকক্ষের মেয়াদ ৪ বছর ও উচ্চকক্ষের মেয়াদ ৬ বছর করা, ৬৪ জেলা থেকে ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে উচ্চকক্ষ গঠন করা, সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি ভোট দেওয়া, নির্বাচন কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগে নিরপেক্ষ বাছাই কমিটির বিধান করা, অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে দেওয়ার মতো প্রস্তাব এসেছে।

অবশ্য বাংলাদেশের মতো দেশে উচ্চকক্ষের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, সে প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এর বদলে একটি উপদেষ্টা পরিষদ করা যায় কি না, সে প্রস্তাবও এসেছে। এ ছাড়া সরকারি হিসাব, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির মতো কয়েকটি কমিটির বাইরে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিরোধী দল থেকে দেওয়া; সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা বাড়াতে সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন করার প্রস্তাবও দিয়েছেন কেউ কেউ।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে সরাসরি সংবিধান সংশোধন হয়ে যায় কি না—এ বিষয়েও আলোচনা হয়। বেশির ভাগ মত দিয়েছেন, এ ক্ষেত্রে সংসদকে সংশোধনী আকারে রায় সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

বৈঠক শেষে সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এবং কর্মপরিধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি নতুন ‘আইডিয়া’ এসেছে। ধারণাটি সম্পর্কেও তিনি সাংবাদিকদের জানান।

নতুন আইডিয়াটি এ রকম—যদি সংসদের উচ্চকক্ষ গঠিত হয়, এর মেয়াদ নিম্নকক্ষের সঙ্গে শেষ হবে না। উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কি না, সে আলোচনা এসেছে। এ ক্ষেত্রে যদি উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃজন করা হয়, তাহলে উপরাষ্ট্রপতিকে উচ্চকক্ষের স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। বিকল্প হিসেবে এসেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষের স্পিকার নির্বাচিত হবেন। তাঁকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা যায় কি না এবং অন্য উপদেষ্টাদেরও সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে নিযুক্ত করা—সেটার একটা বিধান থাকতে পারে।

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম