Read in English
পাঠক সুবিধা:
অপরাধ ও আইনঢাকানোয়াখালীমাদারীপুর

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে দুই হাজতির মৃত্যু

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে দুই হাজতির মৃত্যু
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৃথক ঘটনায় অসুস্থ হয়ে রফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান কাজী নামের দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মধ্যে একজন ডেঙ্গু আক্রান্ত ছিলেন এবং অপরজন স্ট্রোকে মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গুরুতর অবস্থায় ঢামেকে আনা হলে দুই হাজতিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
  • নিহতদের একজন হলেন ১৯ বছর বয়সী এসএসসি পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান এবং অপরজন ৫৯ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম।
  • মেহেদীর মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ নেওয়ার দাবিতে স্বজনদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতাহাতি হয়।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পৃথক ঘটনায় অসুস্থ হয়ে দুই হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার রফিকুল ইসলাম (৫৯) এবং মাদারীপুরের শিবচরের তরুণ মেহেদী হাসান কাজী (১৯)। কারা কর্তৃপক্ষ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তাদের একজন হৃদরোগে এবং অপরজন ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছিলেন।

কারারক্ষী ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, শনিবার বেলা ৩টার দিকে কারাগারে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন রফিকুল ইসলাম। দ্রুত তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে বিকেল চারটার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় বন্দি তরুণ মেহেদী হাসান বেশ কয়েক দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকেও বিকেলে ঢামেকে আনা হয়। জরুরি বিভাগ থেকে মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তরের পথেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন এবং বিকেল পাঁচটায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মেহেদীর মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেখানে তার ভাই সাঈদ কাজী অভিযোগ করেন, মেহেদী এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল এবং প্রায় সাত মাস আগে একটি মিথ্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা কর্তব্যরত কারারক্ষী ও আনসার সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা এবং একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান দুই বন্দির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ দুটি বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“কারাগারে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। একই দিনে কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আসা দুই হাজতির মৃত্যু এবং ডেঙ্গুর মতো প্রতিরোধযোগ্য রোগে তরুণ বন্দির প্রাণহানি কারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাকে সামনে নিয়ে আসে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বন্দিদের চিকিৎসা সুবিধা আরও জোরদার করা জরুরি।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম