মুম্বাইয়ে জয়শঙ্কর ও রুবিওর বৈঠক: জ্বালানি ও প্রতিরক্ষায় জোর
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ভারতের মুম্বাইয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি সহযোগিতার মতো বিষয়গুলো বড় গুরুত্ব পায়।
- মুম্বাইয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে।
- রাশিয়ার তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা কিছুটা কমলেও মস্কোই দেশটির সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহকারী।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার আয়োজিত এই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার ব্যাপারে কথা হয়। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও নতুন প্রযুক্তির মতো কৌশলগত ক্ষেত্রগুলোতে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন দুই শীর্ষ কূটনীতিক।
বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ভারত ও আমেরিকার কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এই বৈঠক হয়েছে। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর এই বৈঠককে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে বর্ণনা করেন। প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরি, বাণিজ্য সহজ করা এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষায় এই আলোচনা নতুন গতি আনবে বলে মনে করছে ওয়াশিংটন।
এই বৈঠকের ঠিক আগেই সামনে এসেছে ভারতের তেল আমদানির নতুন পরিসংখ্যান। সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ভারতে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। এর ফলে টানা দুই মাস ধরে রুশ তেলের আমদানিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেল। তবে আমদানি কিছুটা কমলেও ভারতের বাজারে এখনো জীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মস্কো। চীনের পরেই ভারত বর্তমানে রাশিয়ার জ্বালানির দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা।
রাশিয়া থেকে তেল কেনার বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াশিংটনের কিছুটা আপত্তি থাকলেও নিজেদের জাতীয় স্বার্থেই জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রেখেছে নয়াদিল্লি। বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ভেতরের জ্বালানি চাহিদা মেটানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত তেল রপ্তানি ঠিক রাখতেই ভারত এই কৌশল নিয়ে চলছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের পর ভারত ও আমেরিকার জ্বালানি সম্পর্কে নতুন কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তা এখন বড় দেখার বিষয়।
“মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর মুম্বাই সফর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বৈশ্বিক নীতির প্রেক্ষাপটে ভারত কীভাবে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করে এবং একই সঙ্গে আমেরিকার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি অংশীদারত্ব এগিয়ে নেয়, এই বৈঠক তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



