মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে এরদোগানের সাথে ৬ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও সামগ্রিক নিরাপত্তা সংকট নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সাথে বৈঠক করেছেন ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। শুক্রবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানো ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
- ইস্তাম্বুলে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সাথে পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর, জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বৈঠকে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি, সৌদি আরবে হুতিদের হামলা এবং ইউক্রেন সংকটের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।
- সামরিক উত্তেজনার বদলে শান্তি ফেরাতে দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান চরম অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য সর্বাত্মক সংঘাত এড়াতে বড় ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সাথে ইস্তাম্বুলে এক বিশেষ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। এই আলোচনায় পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর, জার্মানি, ফ্রান্স এবং ইতালির শীর্ষ কূটনীতিকরা সরাসরি অংশ নেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলার পথ খুঁজতেই এই শীর্ষ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা 'আর ফোর প্লাস ই থ্রি' কাঠামোর আওতায় নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন। পরে প্রেসিডেন্ট এরদোগানের উপস্থিতিতে মূল আলোচনায় মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক ভূরাজনীতি বিশদভাবে উঠে আসে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বৈরিতা এবং এর জেরে গোটা অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের আশঙ্কা নিয়ে দীর্ঘ পর্যালোচনা করা হয়। একই সাথে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব নিয়েও কূটনীতিকরা মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের দ্বারা সৌদি আরবের ওপর চালানো ধারাবাহিক হামলা এবং তা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা হয়। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা একমত হন যে, চলমান সংকট নিরসনে সামরিক পদক্ষেপের চেয়ে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতাই একমাত্র কার্যকর উপায়। অঞ্চলজুড়ে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখতে প্রতিটি দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং কূটনৈতিক বোঝাপড়া বাড়ানো অপরিহার্য বলে মত দেন নেতারা।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বড় শক্তিগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের নিয়ে এরদোগানের এই উদ্যোগ বৈশ্বিক কূটনীতিতে তুরস্কের প্রভাব আরও স্পষ্ট করে তুলল। বিভিন্ন স্বার্থে বিভক্ত দেশগুলোকে এক টেবিলে বসিয়ে যুদ্ধবিরতি ও সংকটের রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতে বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে কতটা ভূমিকা রাখবে, এখন বিশ্ববাসীর নজর সেদিকেই।
“ইস্তাম্বুলের এই বৈঠকটি ইঙ্গিত দেয় যে বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি অনিয়ন্ত্রিত যুদ্ধ এড়াতে কূটনৈতিক চ্যানেলের ওপর এখনও ভরসা রাখছে। ইউরোপ ও মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোকে এক ছাদের নিচে এনে তুরস্ক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সংহত করল।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



