৮১ বছরে পা দিল জাতিসংঘ, বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজন
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত জাতিসংঘ আজ ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। ১৯৩ সদস্যের এই আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর থেকে বৈশ্বিক কূটনীতি ও শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ২৪ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
- ১৯৭৪ সালে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগ দিয়ে বিশ্বশান্তি ও শান্তিরক্ষায় অনন্য অবস্থান গড়েছে বাংলাদেশ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতার পর ১৯৪৫ সালে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তার লক্ষ্য নিয়ে সংস্থাটি আত্মপ্রকাশ করে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
আজ ২৪ অক্টোবর, বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে জাতিসংঘ দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে ১৯৪৫ সালের এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল সংস্থাটি। নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে সদর দপ্তর থাকা এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটি দেখতে দেখতে ৮১ বছরে পদার্পণ করেছে। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে একযোগে কাজ করছে এবং বিশ্বজুড়ে দিবসটি উপলক্ষে নানা ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট এই সংস্থার নামকরণ করেছিলেন। নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন এবং দশটি অস্থায়ী সদস্যসহ মোট ১৫টি দেশকে নিয়ে বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সংস্থাটির ছয়টি দাপ্তরিক ভাষা চালু থাকলেও সচিবালয়ের প্রধান কার্যকরী ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও ফরাসি ব্যবহৃত হয়। পর্তুগালের নাগরিক আন্তোনিও গুতেরেস বর্তমানে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় ও তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় বাংলাদেশ। এরপর ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া শুরু করে দেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ। দীর্ঘ পথচলায় বাংলাদেশ বৈশ্বিক শান্তিরক্ষায় শীর্ষ অবদানকারী দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের প্রতিনিধিরা সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্বও সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে আট দশক পার করলেও সংঘাতমুক্ত বিশ্ব বিনির্মাণে জাতিসংঘের সামনে এখনো নানা কঠিন চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। যুদ্ধ, দারিদ্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানবাধিকার রক্ষার মতো বড় বড় সংকট মোকাবিলায় সংস্থাটির ভূমিকা নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কার্যকর সমাধান বের করতে হলে সদস্য দেশগুলোর আন্তরিক সহযোগিতা ও জাতিসংঘ সনদের মূলনীতির যথাযথ বাস্তবায়ন এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি।
“৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এসে জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিকতা ও কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। একদিকে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের আত্মত্যাগ যেমন প্রশংসা কুড়িয়েছে, অন্যদিকে নিরাপত্তা পরিষদের ভেটো ব্যবস্থার কারণে বড় বড় বৈশ্বিক সংকটে সিদ্ধান্তহীনতাও স্পষ্ট হয়েছে। সংস্থাটিকে কার্যকর রাখতে হলে সমতাভিত্তিক কূটনীতির বিকাশ প্রয়োজন।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



