৫ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনল কানাডা সরকার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়।
- কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
- কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়।
- দেশটির সরকারি ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত চারজন হলেন রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সির (সিবিএসএ) তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়। দেশটির সরকারি ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত চারজন হলেন রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম। গত ২২ অক্টোবর তারা ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন। পঞ্চম অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সিবিএসএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ জুলাই কুইবেকের মার্সিয়ে শহরের একটি বাসভবনে তল্লাশি ও যাচাই কার্যক্রম চালায় সংস্থাটি। এ সময় মার্সিয়ে শহরের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের বেশ কিছু আলামত পাওয়ার পর ওই বছরের আগস্টে অভিযুক্তদের কার্যক্রম নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিবিএসএ। তদন্তে দেখা যায়, কানাডার নাগরিকদের আমন্ত্রণকারী বা আতিথ্যদাতা হিসেবে উপস্থাপন করে ২০৯ জন বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য ২৪৩টি অস্থায়ী বাসিন্দা ভিসার (টিআরভি) আবেদন করা হয়েছিল।
তদন্তকারীদের ভাষ্য, জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে এসব বিদেশি নাগরিকের ভিসা পাওয়ার সুযোগ করে দিতে একটি সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওতে চারটি তল্লাশি পরোয়ানা কার্যকর করেন সিবিএসএর তদন্তকারীরা। এ সময় সংগ্রহ করা নথিপত্র ও কম্পিউটার সরঞ্জামসহ বিভিন্ন আলামত থেকে ওই জালিয়াতির ঘটনায় পাঁচজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। জালিয়াতির ঘটনাটির ব্যাপকতা ও জটিলতা বিবেচনায় তদন্তকারীরা সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে, এমন ৭৯টি ভিসা আবেদনের ওপর গুরুত্ব দেন। যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। এগুলো হলো, এক বা একাধিক ব্যক্তিকে কানাডায় প্রবেশে সহায়তা করা বা এ প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করা, যা দেশটির অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইনের ১১৭(১) ও ১১৭(৩) ধারার আওতায় অপরাধ। অভিবাসন আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন বা ভুলভাবে উপস্থাপনে জেনেশুনে কাউকে প্ররোচিত করা, সহায়তা করা বা উৎসাহ দেওয়া। এ ক্ষেত্রে আইনের ১২৬ ধারা ও ১২৮(ক) অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনে জেনেশুনে কাউকে প্ররোচিত করা বা সহায়তা করা, যা আইনের ১৩১ ধারা ও ১১৭(৩) ধারার আওতায় অপরাধ।
“ঢাকা অঞ্চলে গৃহীত এ উদ্যোগ ও ঘটনাপ্রবাহের ক্ষেত্রে কেবল তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক সমাধান এবং নাগরিক সুবিধার দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তা দেওয়াই সর্বোত্তম নীতি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



