তুরস্ক সফরে কানাডার প্রধানমন্ত্রী, এরদোগানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর একক বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমিয়ে আনতে তুরস্ক সফরে গেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। আঙ্কারায় প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে তার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানিসহ চারটি প্রধান খাতে যৌথ চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
- কানাডার প্রধানমন্ত্রী অটোয়া থেকে সরকারি সফরে তুরস্কে পৌঁছেছেন।
- প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সঙ্গে বৈঠকে প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি খাতে চারটি চুক্তি সই হতে পারে।
- ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিকল্প বাজার খুঁজছে অটোয়া।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় পৌঁছেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাষ্ট্রমুখী বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বৈশ্বিক অংশীদার খুঁজে নেওয়ার অংশ হিসেবে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী আঙ্কারায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে কানাডার সরকারপ্রধানের আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দুই নেতার এই বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
কানাডার রাজধানী অটোয়া থেকে বুধবার তুরস্কের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আঙ্কারায় রাষ্ট্রীয় আলোচনার পর শুক্রবার ইস্তাম্বুলে তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পনেতাদের সঙ্গে তার বৈঠক করার কথা রয়েছে। মূলত ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাণিজ্যিক অস্থিরতার প্রভাব সামাল দিতে বিকল্প বাজার অনুসন্ধান করছে কানাডা সরকার। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই পূর্ব ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের সংযোগস্থল তুরস্কের সঙ্গে অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন তৈরির এ উদ্যোগ নেওয়া হলো।
তুরস্ক সরকারের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক বুরহানেত্তিন দুরান এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি ইঙ্গিত দেন, এবারের সফরে আঙ্কারা ও অটোয়ার সম্পর্ককে একটি সার্বিক কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সফরকালে প্রতিরক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং বাণিজ্যিক সুবিধা বৃদ্ধিসহ অন্তত চারটি প্রধান খাতে দুই দেশের মধ্যে যৌথ চুক্তি সইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত হয়েছে।
কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত ভূ-রাজনীতিতে উন্নত দেশগুলো এখন আর একক কোনো পরাশক্তির ওপর বাণিজ্যে পুরোপুরি নির্ভর করতে চাইছে না। কানাডার এই সফর সেই কৌশলগত পরিবর্তনেরই বড় প্রতিফলন। তুরস্কের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও ভৌগোলিক গুরুত্ব কানাডার রপ্তানি খাতের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। একই সঙ্গে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা খাতের বরফ গলে নতুন সহযোগিতার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
“কানাডার এই সফর কেবল আনুষ্ঠানিক সৌজন্য নয়, বরং একমুখী মার্কিন বাণিজ্য নির্ভরতা কমানোর একটি সুস্পষ্ট কৌশলগত পদক্ষেপ। তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তির সঙ্গে জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে পারা অটোয়ার বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নিজের অবস্থান সুরক্ষিত করারই ইঙ্গিত দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



