তুরস্কের সঙ্গে যুদ্ধ চান না, তবে এরদোয়ানকে দুষলেন নেতানিয়াহু
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

তুরস্কের সঙ্গে কোনো সংঘাত জড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে দুই দেশের সম্পর্কে তৈরি হওয়া বৈরিতার পেছনে তিনি পুরোপুরি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে দায়ী করেছেন। একই সঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েলি বাহিনী সামরিক প্রস্তুতি রাখছে বলেও জানান তিনি।
- তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি কোনো বিরোধ বা যুদ্ধ চান না বলে স্পষ্ট বার্তা দিলেন নেতানিয়াহু।
- দুই দেশের মধ্যে বর্তমান উত্তেজনার মূল কারণ হিসেবে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের পদক্ষেপকে দায়ী করেছে তেল আবিব।
- আগাম হামলার কৌশলগত সক্ষমতা থাকলেও যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি রুখতে প্রস্তুতি বজায় রাখছে ইসরায়েল।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা ইসরায়েলের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির জন্য তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ১৪-এ দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু দাবি করেন, এরদোয়ানের আক্রমণাত্মক অবস্থানের কারণেই দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
মিডল ইস্ট আইয়ের বরাতে জানা যায়, সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তুরস্কের সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইসরায়েলের কোনো কৌশলগত পরিকল্পনা আছে কি না। এর জবাবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সামরিক ছকের কথা প্রকাশ করতে রাজি হননি। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে কৌশলগত আত্মরক্ষার নীতি অনুযায়ী প্রয়োজন হলে আগাম আঘাত হানার পূর্ণ সক্ষমতা ও অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, তেল আবিব কোনো আঞ্চলিক শক্তির চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না। মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সীমান্ত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের সশস্ত্র বাহিনী সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি বজায় রাখছে। যেকোনো পক্ষ থেকে সরাসরি হুমকি এলে তার পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি বার্তা দেন।
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করে আসছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। তিনি প্রকাশ্যে নেতানিয়াহু সরকারের নীতিকে মানবতাবিরোধী আখ্যা দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রায় ছিন্ন করেছেন। নেতানিয়াহুর সর্বশেষ এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে দুই দেশের মধ্যে তাৎক্ষণিক সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা কম থাকলেও কূটনৈতিক বরফ গলার সম্ভাবনা আপাতত খুবই ক্ষীণ।
“নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য একদিকে তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ এড়ানোর কূটকৌশল, অন্যদিকে এরদোয়ানকে আঞ্চলিকভাবে চাপে রাখার একটি স্পষ্ট প্রয়াস। মধ্যপ্রাচ্যে যখন বহুমুখী সংকট চলছে, তখন তুরস্ককে শত্রু বানাতে না চেয়েও সামরিক শক্তির বার্তা দিয়ে ইসরায়েল কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



