হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা ও গাজায় যুদ্ধবিরতির ডাক কাতার-ফ্রান্সের
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

হরমুজ প্রণালিতে অবাধে বাণিজ্য জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা এবং গাজায় অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকরের জোর দাবি জানিয়েছে কাতার ও ফ্রান্স। দোহায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যকার বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।
- হরমুজ প্রণালিতে কোনো বাধা বা অতিরিক্ত ফি ছাড়াই আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের দাবি জানানো হয়েছে।
- গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং অবাধে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দুই দেশ।
- মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন দেশে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং গাজায় দ্রুত যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে কাতার ও ফ্রান্স। কাতারের রাজধানী দোহায় দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এই যৌথ বার্তা দেওয়া হয়। দুই শীর্ষ নেতা স্পষ্ট ভাষায় জানান, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের বাধা বা বাড়তি ফি ছাড়াই নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা জরুরি।
দোহা বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সামরিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করা হয়। আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের ওপর ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করে কাতার ও ফ্রান্স বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। এর আগে কাতারের কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী ইব্রাহিম বিন সুলতান আল-হাশমি জানান, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অচলাবস্থা নিরসনে সমন্বিত আলোচনা চলছে। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও জানিয়েছেন, সংকট কাটাতে তেহরান আলোচনার পথ খোলা রাখতে আগ্রহী।
বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কেন্দ্রবিন্দু গাজা পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। কাতার ও ফ্রান্স যৌথভাবে গাজা উপত্যকা থেকে দ্রুত ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেখানে খাদ্য, ওষুধসহ জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর নিশ্চয়তা চেয়েছে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা উল্লেখ করেন, নিরীহ ফিলিস্তিনিদের জীবন বাঁচাতে কোনো ধরনের পূর্বশর্ত বা প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই ত্রাণবাহী বহরকে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইউরোপীয় ও উপসাগরীয় শক্তির এমন যৌথ উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ইরান ও পশ্চিমা শিবিরের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠা করা না গেলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে। তাই দোহা বৈঠক থেকে উঠে আসা এই সমন্বিত চাপ মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন দেখার বিষয়।
“হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের মূল ধমনী এবং এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংকট বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। ফ্রান্স ও কাতারের এই যৌথ অবস্থান ইউরোপ ও আরব বিশ্বের সম্মিলিত কূটনীতির একটি জোরালো বহিঃপ্রকাশ, যা সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



