Read in English
পাঠক সুবিধা:
জাতীয়ঢাকা

‘অস্ত্র দিয়ে বলে, যুদ্ধ করতে হবে না, সামনে-পিছে যাবা’

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
‘অস্ত্র দিয়ে বলে, যুদ্ধ করতে 
হবে না, সামনে-পিছে যাবা’
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়।
  • তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
  • হাসপাতালটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে। আলী হাসান ১ মাস ১০ দিন ধরে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গতকাল বুধবার তাঁর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় প্রথম আলোর। কাঁদতে কাঁদতে আলী হাসান বলেন, ‘এ জীবন কেউ চায় না। এটা কোনো জীবন না।

বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করেছি, সুস্থ হলে [দেশে ফেরানোর] চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু সুস্থ হলে তো আবার যুদ্ধে পাঠিয়ে দেবে। আলী হাসান আরও বলেন, ‘এক বছরে পায়ের ওপর দাঁড়াতে পারব কি না জানি না। কবে দেশে ফিরতে পারব, এই প্রার্থনা করি সারাক্ষণ। যেমনে পারেন, আমারে উদ্ধার করেন; পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন। নির্মাণশ্রমিক হিসেবে গত ৭ মে একসঙ্গে রাশিয়ায় যান ৩০ জন। তাঁদের একজন আলী হাসান।

তিনিসহ ৩০ জনের ১৫ জনের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের পরিবার জানিয়েছে, তাঁরা রাশিয়ায় গিয়ে প্রতিশ্রুত চাকরি পাননি। প্রতারণার মাধ্যমে তাঁদের রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন। দুজন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন। আর ভিন্ন দুটি হাসপাতালে ভর্তি বাকি দুজন দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিরা বলছেন, ওই ৩০ জনকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১৬ জনের দলে ছিলেন আলী হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মাত্র পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে ষষ্ঠ দিনে পাঁচজনকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এরপর মাইলের পার মাইল হেঁটে, সঙ্গে থাকা শুকনো খাবার খেয়ে তিন দিন পর এক সুড়ঙ্গে পৌঁছান। সেটি মাটির নিচের একটি সেনা ক্যাম্প। সেখানে রাখা হয় তাঁদের। একপর্যায়ে তাঁদের দলের বাকি ১১ জনও যোগ দেন। আলী হাসান আরও বলেন, একপর্যায়ে হাতে অস্ত্র দিয়ে, সেনাবাহিনীর পোশাক পরিয়ে একজন করে পাঠানো হয় সামনের দিকে। ১৬ জনের দল থেকে ১৪ জন নিখোঁজ এখন, আর বাকি ২ জন হাসপাতালে ভর্তি।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষায় সংঘাত ও অর্থনৈতিক অবরোধ পরিহার করে টেকসই কূটনৈতিক সংলাপের বিকল্প নেই। বেসামরিক জনগণের জানমাল রক্ষা ও অবাধ মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করাই বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ দায়িত্ব।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম