দাকোপে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে উপকূলজুড়ে আনন্দের জোয়ার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

খুলনার দাকোপ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদ নলিয়ানে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ ও মোংলা বন্দরের উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এই সফরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- দাকোপ উপজেলার নলিয়ান গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর অবতরণ ঘিরে ব্যানার-ফেস্টুন ও সড়ক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
- সফরে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও মোংলা বন্দরের অর্থনৈতিক প্রকল্প পরিদর্শন করবেন তিনি।
- দাকোপে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ না থাকলেও সার্বিক এলাকায় কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
খুলনার দাকোপ উপজেলার সর্বদক্ষিণের উপকূলীয় জনপদ নলিয়ান গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সুন্দরবন সংলগ্ন সুতারখালী ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলায় বেশ কয়েকদিন ধরেই আনন্দ মিছিল ও পথসভা করছেন সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীরা। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সফরকে ঘিরে সড়ক সংস্কার, আবর্জনা পরিষ্কার এবং এলাকা সাজানোর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। চারদিকে তোরণ ও ব্যানার টানিয়ে পুরো এলাকাকে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।
নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে আকাশপথে হিরণ পয়েন্টসহ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যবেক্ষণ শেষে সকাল সাড়ে ১০টায় নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের হেলিপ্যাডে পৌঁছাবেন। এরপর কোস্টগার্ডের স্পিডবোটে আকরাম পয়েন্টের উদ্দেশে যাত্রা করে সেখানে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করবেন। সেখান থেকে নৌপথে মোংলা বন্দরে গিয়ে বিশেষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে।
দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বোরহান উদ্দিন মিঠু জানান, সম্ভাব্য সূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর হেলিপ্যাডে অবতরণের সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। যদিও দাকোপে তাঁর কোনো রাজনৈতিক বা আনুষ্ঠানিক জনসভা নেই, তবুও স্থানীয়দের আগ্রহ তুঙ্গে। ভিভিআইপি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসএসএফ, পুলিশ এবং অন্যান্য বিশেষায়িত বাহিনীর সমন্বয়ে পুরো অঞ্চলজুড়ে কয়েক স্তরের কঠোর নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বিপুল কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উপকূলীয় এলাকার মানুষের আশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ও অর্থনীতির চাকা আরও দ্রুত ঘুরবে। নতুন শিল্পায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সম্ভাবনায় উপকূলের মানুষ এখন সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখছেন।
“সুন্দরবন উপকূল ও মোংলা বন্দরকে ঘিরে নেওয়া উন্নয়ন উদ্যোগগুলো কেবল অর্থনৈতিক গতি আনবে না, বরং পিছিয়ে পড়া দক্ষিণাঞ্চলের কর্মসংস্থানেও নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন গৃহীত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



