বাংলায় পড়ুন
Reader Tools:
National📍 dhaka

‘অস্ত্র দিয়ে বলে, যুদ্ধ করতে হবে না, সামনে-পিছে যাবা’

Cholti News English Desk10/22/2026
2 min read10 views
AI Neural Voice Audio

1-Click Audio Report (Universal Voice)

00:00Google Cloud Neural Audio00:00
‘অস্ত্র দিয়ে বলে, যুদ্ধ করতে 
হবে না, সামনে-পিছে যাবা’
Full View
Photo: Archive • Cholti News Special Coverage
Executive Briefing & Key Context

মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

3 Essential Key Takeaways
  • মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়।
  • তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
  • হাসপাতালটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে।
SPONSORED PARTNERNational Savings Bureau

National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme

Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.

Learn More

মো. আলী হাসান সোহেলের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। তিনি এখন রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কো থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার দূরে। আলী হাসান ১ মাস ১০ দিন ধরে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। গতকাল বুধবার তাঁর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় প্রথম আলোর। কাঁদতে কাঁদতে আলী হাসান বলেন, ‘এ জীবন কেউ চায় না। এটা কোনো জীবন না।

বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করেছি, সুস্থ হলে [দেশে ফেরানোর] চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে। কিন্তু সুস্থ হলে তো আবার যুদ্ধে পাঠিয়ে দেবে। আলী হাসান আরও বলেন, ‘এক বছরে পায়ের ওপর দাঁড়াতে পারব কি না জানি না। কবে দেশে ফিরতে পারব, এই প্রার্থনা করি সারাক্ষণ। যেমনে পারেন, আমারে উদ্ধার করেন; পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেন। নির্মাণশ্রমিক হিসেবে গত ৭ মে একসঙ্গে রাশিয়ায় যান ৩০ জন। তাঁদের একজন আলী হাসান।

তিনিসহ ৩০ জনের ১৫ জনের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। তাঁদের পরিবার জানিয়েছে, তাঁরা রাশিয়ায় গিয়ে প্রতিশ্রুত চাকরি পাননি। প্রতারণার মাধ্যমে তাঁদের রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন। দুজন হাসপাতাল থেকে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন। আর ভিন্ন দুটি হাসপাতালে ভর্তি বাকি দুজন দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন।

নিহত ব্যক্তিদের পরিবার ও আহত ব্যক্তিরা বলছেন, ওই ৩০ জনকে সেনা ক্যাম্পে নিয়ে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ১৬ জনের দলে ছিলেন আলী হাসান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মাত্র পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে ষষ্ঠ দিনে পাঁচজনকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়। এরপর মাইলের পার মাইল হেঁটে, সঙ্গে থাকা শুকনো খাবার খেয়ে তিন দিন পর এক সুড়ঙ্গে পৌঁছান। সেটি মাটির নিচের একটি সেনা ক্যাম্প। সেখানে রাখা হয় তাঁদের। একপর্যায়ে তাঁদের দলের বাকি ১১ জনও যোগ দেন। আলী হাসান আরও বলেন, একপর্যায়ে হাতে অস্ত্র দিয়ে, সেনাবাহিনীর পোশাক পরিয়ে একজন করে পাঠানো হয় সামনের দিকে। ১৬ জনের দল থেকে ১৪ জন নিখোঁজ এখন, আর বাকি ২ জন হাসপাতালে ভর্তি।

Cholti News Perspective • Neutral AI Analysis

“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”

Compiled, verified, and edited under Cholti News Editorial Guidelines.
SHARE THIS STORY: