দিনব্যাপী সফরে খুলনার দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
1-Click Audio Report (Universal Voice)

খুলনার দাকোপ উপজেলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।
- খুলনার দাকোপ উপজেলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে।
- এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।
National Investment & Sovereign Savings Bond Scheme
Secure high guaranteed yields backed by official treasury securities.
খুলনার দাকোপ উপজেলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা ২৯ মিনিটে তাকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে। এর আগে, আজ সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে সড়কপথে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। পরে সকাল ৯টায় বিমানবন্দরে পৌঁছে হেলিকপ্টারে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। জানা যায়, নলিয়ান থেকে লঞ্চঘাট হয়ে নৌপথে বাগেরহাটের মোংলায় অবস্থিত বানৌজা মোংলার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বানৌজা মোংলার জেটিতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার। সেখান থেকে ওয়ার্ডরুমে যাবেন তিনি। আজ দুপুর ১টায় মধ্যাহ্নবিরতির কর্মসূচি রয়েছে। এ সময় খুলনার বিভাগীয় কমিশনার এবং খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। পরে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল ২টা ৪৫ মিনিটে মোংলা বন্দরের জেটি পরিদর্শনের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। বিকেল ৩টায় জেটিতে পৌঁছে সেটি পরিদর্শন করবেন। এরপর বিকেল সোয়া ৩টায় প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অর্থনৈতিক অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে ৩টায় অর্থনৈতিক অঞ্চলটি পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সফর শেষে বিকেল ৪টায় হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
বিকেল ৫টায় তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তিনি যেসব এলাকা পরিদর্শন করবেন, সেসব এলাকায় অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদাপোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসন-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, সফরটি রাজনৈতিক নয়; তাই প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিস্থলগুলোতে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি সীমিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব স্থানে নির্ধারিত উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
“In evaluating developments in Dhaka, institutional accountability and long-term public welfare must remain the guiding benchmarks for sustainable progress.”
Digital Innovation Summit 2026
Join South Asia's leading tech and AI entrepreneurship summit.
