কাচ্চিতে কি সত্যিই বিড়ালের মাংস? ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজধানীর রেস্তোরাঁয় কাচ্চির মাংস নিয়ে তোলপাড়; ভোক্তা অধিকারের অভিযানে খতিয়ে দেখা হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তার সার্বিক পরিস্থিতি।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় পরিবেশন করা কাচ্চি বিরিয়ানির মাংস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন ও উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে। কাচ্চিতে খাসির মাংসের পরিবর্তে অন্য কোনো প্রাণীর, বিশেষ করে বিড়ালের মাংস ব্যবহারের অভিযোগ ওঠায় সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এহেন প্রেক্ষাপটে বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং খাদ্যমান যাচাইয়ে বিশেষ অভিযানে নেমেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই তদারকিমূলক অভিযানে বিভিন্ন জনপ্রিয় ও নামিদামি কাচ্চির দোকানে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে রান্নায় ব্যবহৃত মাংসের উৎস, ক্রয় রসিদ, ফ্রিজে সংরক্ষিত কাঁচা ও প্রক্রিয়াজাত মাংসের অবস্থা এবং স্বাস্থ্যবিধি খতিয়ে দেখা হয়। পরিদর্শনকালে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং মাংস সংরক্ষণে অনিয়ম ধরা পড়লেও সুনির্দিষ্টভাবে বিকল্প প্রাণীর মাংসের বিষয়টি নিশ্চিত করতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগেও রাজধানীতে মাংসের সত্যতা ও মান নিয়ে একাধিকবার বিভ্রান্তি ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অতীতেও বিভিন্ন এলাকায় কম দামে বাসি, পচা কিংবা সন্দেহজনক মাংস বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালানো হয়। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ক্রেতাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে মাংসের ডিএনএ টেস্ট ও ল্যাব পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাতে কোনো অসাধু চক্র সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত বা প্রতারিত করতে না পারে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। সচেতন নাগরিক ও ভোজনরসিকরা রেস্তোরাঁগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের ঘটনা শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্যই হুমকি নয়, বরং দেশের সামগ্রিক খাদ্য ও পর্যটন খাতের সুনামকেও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর স্পষ্ট জানিয়েছে, খাদ্যে ভেজাল বা প্রতারণার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সিলগালাসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জনস্বার্থে নিয়মিত এই তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সংগৃহীত নমুনার রিপোর্ট হাতে পেলেই আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত জানানো হবে।
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



