সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: খাদ্যমন্ত্রী
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

মানিকগঞ্জের ঘিওরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।
- মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
- মন্ত্রী জানান, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।
- যেকোনো অশুভ শক্তির অপচেষ্টা রুখে দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের প্রতিটি মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের গঙ্গা মালাকার বাড়িতে শারদীয় দুর্গোৎসবের মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় তিনি সম্প্রীতির এই বার্তা তুলে ধরেন।
বক্তব্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশ আবহমানকাল থেকেই ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে টিকে আছে এবং প্রতিটি ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের উৎসব উদযাপন করে আসছেন। আমাদের জাতিগত পরিচয়ে কোনো ভেদাভেদ নেই, কারণ সবার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজা এখন কেবল নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি সার্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে। কোনো অশুভ শক্তি যেন দেশের দীর্ঘদিনের এই সামাজিক বন্ধন নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ নির্ভয়ে এবং আনন্দময় পরিবেশে উৎসব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাষ্ট্র সবসময় নাগরিকদের সুরক্ষায় পাশে রয়েছে।
পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী মণ্ডপে উপস্থিত স্থানীয় নারী, পুরুষ ও শিশুদের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গঙ্গা মালাকার, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
“পূজামণ্ডপে খাদ্যমন্ত্রীর এই সফর এবং সম্প্রীতির বার্তা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে। ধর্মীয় উৎসব ঘিরে উচ্চপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের এমন সরাসরি উপস্থিতি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা ও সৌহার্দ্যের সুস্পষ্ট বার্তা পৌঁছে দেয়।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



