Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

সেনা পাঠানোর আগে মক্কা চুক্তি নিয়ে তুরস্কের সংসদে ভোট হচ্ছে

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
সেনা পাঠানোর আগে মক্কা চুক্তি নিয়ে তুরস্কের সংসদে ভোট হচ্ছে
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

বিদেশে সেনা মোতায়েনের আগে সৌদি আরবের সঙ্গে স্বাক্ষরিত মক্কা চুক্তিটি তুরস্কের সংসদে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে প্রস্তাবটি স্পিকারের কাছে পাঠিয়েছে। চুক্তির বিষয়ে বিরোধী দলগুলোর কিছু আপত্তি থাকলেও ক্ষমতাসীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে চুক্তি অনুমোদন পেলেও সেনা পাঠাতে সংসদে আলাদা আরেকটি বিল পাস করতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মক্কা চুক্তির খসড়া অনুমোদনের জন্য সংসদের স্পিকারের দপ্তরে পাঠিয়েছে।
  • চুক্তিটি প্রথমে পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটিতে বিতর্ক ও পর্যালোচনার জন্য তোলা হবে।
  • চুক্তি অনুমোদন পেলেও বিদেশে সেনা পাঠাতে সংসদে নতুন করে আলাদা বিল পাস করতে হবে।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

বিদেশে সেনা পাঠানোর আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে হওয়া বহুল আলোচিত 'মক্কা চুক্তি' অনুমোদনের উদ্যোগ নিয়েছে তুরস্ক সরকার। এই চুক্তিটি নিয়ে ভোটাভুটির জন্য দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। স্পিকারের হাত ঘুরে নথিটি দ্রুতই সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হবে। সেখানেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আইনপ্রণেতারা এই চুক্তির সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে নিজেদের মতামত জানাবেন।

সংসদীয় কমিটিতে চুক্তিটি নিয়ে বেশ উত্তেজনাকর বিতর্কের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তুরস্কের বিরোধী দলগুলো এই চুক্তির কয়েকটি ধারা নিয়ে ইতিমধ্যে তীব্র আপত্তি তুলেছে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, কমিটিতে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর চুক্তিটি জাতীয় সংসদের মূল অধিবেশনে সাধারণ ভোটাভুটির জন্য উপস্থাপন করা হবে। এটি পাসের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ বা বিশেষ কোনো বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন নেই, কেবল অধিবেশনে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পেলেই এটি গৃহীত হবে।

তুরস্কের বর্তমান সংসদের দলীয় সমীকরণে ক্ষমতাসীন দল ও তাদের মিত্রদের স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। ফলে বিরোধী দলের কঠোর বিরোধিতা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি সংসদে পাস করিয়ে নেওয়া সরকারের জন্য কঠিন হবে না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেবল এই চুক্তি পাস হলেই বিদেশে সরাসরি তুর্কি সেনা পাঠানোর চূড়ান্ত অনুমতি মিলবে না।

তুরস্কের সংবিধান ও আইনি কাঠামো অনুযায়ী, মক্কা চুক্তি পাস হওয়া হলো সেনা মোতায়েনের প্রথম ধাপ। আন্তর্জাতিক চুক্তির বাইরে যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য পাঠাতে হলে সরকারকে সংসদে সম্পূর্ণ আলাদা একটি 'সেনা মোতায়েন বিল' পেশ করতে হবে। সেই আলাদা বিলে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন মিললেই কেবল তুরস্কের সেনারা সৌদি আরব বা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে দায়িত্ব পালনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে রওনা হতে পারবে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“তুরস্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক সমীকরণে মক্কা চুক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। আঙ্কারা তাদের সামরিক শক্তি বিদেশের মাটিতে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পথেই এগোচ্ছে। তবে বিরোধী দলের উদ্বেগ ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই সেনা মোতায়েনের ভবিষ্যৎ প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী হবে, তা সংসদীয় বিতর্কের পরই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম