আজ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস: দুর্ঘটনা কমাতে নতুন আইনের উদ্যোগ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতের বার্তা নিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। দিবসটি ঘিরে কঠোর আইন বাস্তবায়ন ও নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনের প্রস্তাব সামনে এসেছে।
- ‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে দিবসটি দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে।
- প্রস্তাবিত নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইনে আহতদের ফ্রি জরুরি চিকিৎসা ও ডিমেরিট পয়েন্ট চালুর উদ্যোগ রয়েছে।
- দেশে প্রতিবছর দুর্ঘটনায় মৃত্যুর তথ্যে সরকারি ও আন্তর্জাতিক সংস্থার হিসাবে ব্যাপক ফারাক বিদ্যমান।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, সড়কে প্রাণহানি কমানো এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস। এ বছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ-সবার আগে বাংলাদেশ’। সড়ককে সবার জন্য নিরাপদ রাখতে ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ, উন্নত সড়ক অবকাঠামো তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
দেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া যান চলাচল, চালকের দক্ষতার অভাব এবং ত্রুটিপূর্ণ গাড়িকে চিহ্নিত করা হয়। দুর্ঘটনার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার ইতোমধ্যে ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে। এই প্রস্তাবিত আইনে দুর্ঘটনায় আহতদের তাৎক্ষণিক বিনামূল্যে চিকিৎসা, সাহায্যকারীদের আইনি সুরক্ষা এবং চালকদের ট্রাফিক আইন ভাঙার দায়ে ডিমেরিট পয়েন্ট ও পুনরাবৃত্ত অপরাধে দ্বিগুণ জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক মানের সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করতে সরকার কাজ করছে। এদিকে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন লন্ডন থেকে পাঠানো এক বার্তায় সকলকে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলা এবং দায়িত্বশীলভাবে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানান।
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে এখনও বড় ব্যবধান দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী দেশে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে, যদিও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসেবে এ সংখ্যা কয়েক হাজারে সীমাবদ্ধ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু দিবসভিত্তিক প্রচার নয়, বরং আইনের কঠোর প্রয়োগ ও জনসচেতনতাই পারে সড়ককে বাস্তবিক অর্থে নিরাপদ করতে।
“সড়ক দুর্ঘটনা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট। প্রস্তাবিত সড়ক নিরাপত্তা আইন এবং ডিমেরিট পয়েন্ট চালুর সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও মাঠপর্যায়ে কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



