ইয়েমেনে নতুন সংঘাতে নিহত বেড়ে ১৫৭৪, আহত প্রায় ৭ হাজার
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

ইয়েমেনে গত আগস্টে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর থেকে অন্তত ১ হাজার ৫৭৪ জন নিহত এবং ৬ হাজার ৯৩৯ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত মোট হতাহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫১৩ জনে, যার মধ্যে কেবল শেষ আট দিনেই মারা গেছেন প্রায় তিনশ মানুষ।
- আগস্ট থেকে শুরু হওয়া নতুন সংঘাতে দেশটিতে মোট হতাহতের সংখ্যা সাড়ে আট হাজার ছাড়িয়েছে।
- সর্বশেষ আট দিনের ব্যবধানেই ২৯২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন এক হাজারের বেশি মানুষ।
- হতাহতদের মধ্যে কতজন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক বা যোদ্ধা, তা এখনও নির্দিষ্ট করে জানায়নি ডব্লিউএইচও।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত আগস্ট মাস থেকে চলা রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে দেশটিতে অন্তত ১ হাজার ৫৭৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৬ হাজার ৯৩৯ জন। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচওর প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই ভীতিকর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘস্থায়ী গৃহযুদ্ধে জর্জরিত দেশটির সাধারণ মানুষ আবারও তীব্র মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর বরাতে জানা যায়, চলতি বছরের ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ইয়েমেনে নিহত ও আহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৫১৩ জনে। সংস্থার আগের পরিসংখ্যানে ১ হাজার ২৮২ জনের মৃত্যুর খবর দেওয়া হলেও মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এই সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে শেষ আট দিনের রক্তক্ষয়েই ২৯২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৪৮ জন আহত হয়েছেন। তবে হতাহতদের মধ্যে কতজন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক আর কতজন সশস্ত্র যোদ্ধা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি সংস্থাটি।
ইয়েমেনের এই সংঘাতের সূচনা হয়েছিল ২০১৪ সালে, যখন হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা এবং আশপাশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের মার্চে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে টিকিয়ে রাখতে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। সেই থেকে এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশটিতে দফায় দফায় রক্তপাত চলছে, যা লাখ লাখ মানুষের জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে।
বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বড় এলাকা হুতি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া সরকার ও তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল, পূর্বাংশের কিছু এলাকা এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এডেন শহর। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাতের তীব্রতা বাড়ায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা থামাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
“ইয়েমেনে নতুন করে হতাহতের এই উল্লম্ফন স্পষ্ট করে যে দীর্ঘস্থায়ী সংকট সমাধানের রাজনৈতিক উদ্যোগগুলো এখনো ভঙ্গুর। মাঠপর্যায়ের আঞ্চলিক বিভাজন এবং চিকিৎসা সহায়তার তীব্র সংকট দেশটিকে আবারও এক গভীর মানবিক ট্র্যাজেডির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



