সৌদির বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ দেশে পৌঁছাল
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত বাংলাদেশি কর্মী মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার সকালে ইউএস-বাংলার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তার কফিন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
- গত ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় নিহত হন প্রবাসী শাহেদ আহম্মেদ।
- জেদ্দা থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে শুক্রবার সকালে তার মরদেহ ঢাকায় আনা হয়।
- নিহত শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলায়; মধ্যপ্রাচ্যে গত ৬ মাসে যুদ্ধে ১১ প্রবাসী নিহত হয়েছেন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বর্বরোচিত হামলায় প্রাণ হারানো বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা মো. শাহেদ আহম্মেদের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার কফিন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে কফিনটি গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নিহত শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলায়, তিনি রফিকুল ইসলামের ছেলে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণে প্রবাসে পাড়ি জমানো এই যুবকের কফিন ঘিরে বিমানবন্দরে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ১০ অক্টোবর, যখন রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। ওই ভয়াবহ হামলায় মোট ১২ জন নিহত হন, যার মধ্যে দুজন বাংলাদেশি কর্মী ছিলেন। শাহেদ তাদেরই একজন, যিনি ঘটনার সময় বিমানবন্দরে নিজের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্তের আনুষ্ঠানিকতা শেষে গত ২২ অক্টোবর রাতে জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ নিয়ে উড্ডয়ন করে বিশেষ ফ্লাইটটি, যা পরদিন সকালে ঢাকার মাটিতে অবতরণ করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত প্রবাসীর পরিবারকে সরকারি বিধি অনুযায়ী সব ধরনের আর্থিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে কাজ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এই ঘটনার গভীর শোক প্রকাশ করে জানান, চলমান মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে প্রবাসী কর্মীদের নিরাপত্তা চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় প্রাণ হারানো মোট ১১ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মরদেহ রাষ্ট্রীয় সহায়তায় দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সৌদি আরবে জীবিকার সন্ধানে যাওয়া নিরীহ শ্রমিকের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় প্রশাসন ও প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো। যুদ্ধবিধ্বস্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার দাবি উঠছে। এদিকে শাহেদের মরদেহ গ্রহণ শেষে স্বজনেরা বগুড়ায় তার গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন, যেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
“সৌদির প্রধান বিমানবন্দরে প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর সার্বিক নিরাপত্তার সংকটকে সামনে এনেছে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে অবস্থানরত নাগরিকদের জন্য অবিলম্বে কার্যকর জরুরি নিরাপত্তা প্রটোকল ও দ্রুত ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন কূটনীতির প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”
এই বিভাগের আরও সংবাদ

হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদের মরদেহ গ্রহণ করলেন শামা ওবায়েদ
এইমাত্র
সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইয়াবা কুড়াতে হুড়োহুড়ি, এলাকায় তোলপাড়
এইমাত্র
সাজেক আবারও উত্তাল সশস্ত্র বাহিনী ইউ পি ডি এফ এর তাণ্ডব অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সুজন রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন পর্যটন কেন্দ্র এখানে প্রতিদিন সারা বাংলাদেশ থেকে আশা পর্যটকের বির হয় সাজেকে প্রকৃতির সৌন্দর্যে ঘেরা এই পর্যটন কেন্দ্র মনমুগ্ধকর পরিবেশ তবে আইন-শৃঙ্খলার অবনীতির কারণে বর্তমানে পর্যটকদের নেই কোন নিরাপত্তা সুরক্ষা তিন পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করা ক্ষুদ্র নিগোষ্ঠী থেকে উৎপত্তি অস্ত্রধারী সংগঠন ইউ পি ডি এফ, জেএসএস, সংস্কার এবং গণতান্ত্রিক এই অস্ত্রধারী সংগঠনগুলো চাঁদাবাজি, ঘুম, খুন সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক তৈরি করে প্রতিদিনই বন্দুকযুদ্ধ হয় একে অপরের সাথে এতে করে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার হতে শুরু হয়েছে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আনসার বাহিনী।
এইমাত্রবাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।
