Read in English
পাঠক সুবিধা:
আন্তর্জাতিকঢাকা

দিল্লিতে মোদির বাড়ির পাশের মসজিদ সরানোর নোটিশ দিল কর্তৃপক্ষ

চলতি ডেস্কআজ
১০ বার পঠিতপড়ার সময়: ২ মিনিট
এআই নিউরাল অডিও সংবাদ

১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

০০:০০গুগল নিউরাল অডিও ভয়েস০০:০০
দিল্লিতে মোদির বাড়ির পাশের মসজিদ সরানোর নোটিশ দিল কর্তৃপক্ষ
পূর্ণাঙ্গ ভিউ
ছবি: সংগৃহীত • চলতি নিউজ স্পেশাল কাভারেজ
একনজরে মূল বিষয় ও সারসংক্ষেপ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেস কোর্স মসজিদ ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জায়গাটি অনুমোদিত নয় দাবি করে ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তর এই নোটিশ দিয়েছে। ইতোমধ্যেই মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানি সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ ৩টি তথ্য
  • দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছের ঐতিহাসিক রেস কোর্স মসজিদ ছয় দিনে খালি করার নোটিশ জারি।
  • জায়গাটি অনুমোদিত নয় দাবি করে গত ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
  • মসজিদ ও সংলগ্ন কবরস্থান রক্ষায় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছে জমিয়াত উলামায়ে হিন্দ।
বিজ্ঞাপনটেক একাডেমি বাংলাদেশ

আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প

ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!

ভর্তি হতে ক্লিক করুন

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের ঠিক পাশেই অবস্থিত শতবর্ষের ঐতিহাসিক রেস কোর্স মসজিদ। সেই মসজিদটি আগামী ছয় দিনের মধ্যে পুরোপুরি খালি করার জন্য কড়া উচ্ছেদ নোটিশ জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় ভূমি ও উন্নয়ন দপ্তর (এল অ্যান্ড ডিও)। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, এই জমিটি তাদের এবং সেখানে মসজিদ নির্মাণের কোনো আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেই। এই নির্দেশ প্রকাশ্যে আসার পর দিল্লির মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউ দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের (এনডিএমসি) নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকার মধ্যেও এই মসজিদটির নাম ছিল। তা সত্ত্বেও জমিটি সরকারি দাবি করে এর ঐতিহাসিক পরিচয় নিয়েই প্রশ্ন তুলছে কর্তৃপক্ষ। উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়ার আগেই গত ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানির সব ধরনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এমনকি মসজিদে যাওয়ার পথও সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঐতিহাসিক মসজিদ এবং তার সঙ্গে থাকা প্রাচীন কবরস্থানটি বাঁচাতে ইতোমধ্যেই তৎপর হয়েছে জমিয়াত উলামায়ে হিন্দ। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাকিমুদ্দিন কাসমি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিষাণ রেড্ডি রিজিজুর সঙ্গে দেখা করে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ১৯৭৭ সালের দিল্লি গেজেট এবং কেন্দ্রীয় সরকারের তালিকায় এটি স্পষ্টভাবেই একটি সুরক্ষিত ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

এদিকে মসজিদের ইমাম মোহাম্মদ হারুন দিল্লি ওয়াকফ বোর্ডের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, গত ছয় মাস ধরে সম্ভাব্য উচ্ছেদ নিয়ে সতর্ক করা হলেও ওয়াকফ বোর্ড কার্যকর কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন সংলগ্ন রেস কোর্স রোড এলাকার নিরাপত্তা ও উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সময়ে দিল্লি হাইকোর্টের আদেশে ওই এলাকার সাধারণ বস্তিবাসীদের উচ্ছেদ করে শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরের পুনর্বাসন এলাকায় পাঠানো হয়েছে।

চলতি নিউজ দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণ • নিরপেক্ষ এআই মতামত

“দিল্লির উচ্চ নিরাপত্তা এলাকায় অবস্থিত শতাব্দী প্রাচীন একটি মসজিদকে হঠাৎ উচ্ছেদ নোটিশ দেওয়া এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধা বন্ধ করা শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ নয়, বরং তা ভারতের বর্তমান সংখ্যালঘু অধিকার ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সংরক্ষণের সংকটকে সামনে নিয়ে আসে। ঐতিহ্যবাহী তালিকায় থাকা সত্ত্বেও আইনি সুরক্ষা না পাওয়া ওয়াকফ প্রশাসনের দুর্বলতা প্রকাশ করে।”

প্রতিবেদনটি বস্তুনিষ্ঠ সম্পাদকীয় নীতি ও মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করে প্রকাশিত।
চলতি ডিজিটাল নিউজরুম