জ্বালানি খাতে একসঙ্গে কাজ করতে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার চুক্তি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে আলজেরিয়ার সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ। এই চুক্তির ফলে সরকার সরাসরি আফ্রিকান দেশটি থেকে এলএনজি, এলপিজি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- সরকারিভাবে আলজেরিয়া থেকে এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ তৈরি হলো।
- তেল, গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানের পাশাপাশি অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা দেবে আলজেরিয়া।
- বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও কারিগরদের আধুনিক প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
দেশের চলমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং ভবিষ্যতে সংকট এড়াতে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার সঙ্গে বড় ধরনের জ্বালানি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যে হাইড্রোকার্বন সহযোগিতা বিষয়ক এই সমঝোতা স্মারক সই হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং আলজেরিয়ার পক্ষে তাদের হাইড্রোকার্বন মন্ত্রী মোহামেদ আরকাব অংশ নেন। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববাজারের ওঠানামার বাইরে থেকে নির্ভরযোগ্য কোনো উৎস থেকে দেশের জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস ও তেল নিশ্চিত করা।
বৈঠকে দুই মন্ত্রী সরকারি পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে আলজেরিয়া থেকে বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), রান্নার গ্যাস (এলপিজি) এবং বিভিন্ন পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির উপায় নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। এছাড়া দেশের ভেতরে নতুন তেল, গ্যাস ও কয়লা খনি অনুসন্ধান এবং বর্তমান জ্বালানি অবকাঠামোগুলো আরও আধুনিক করার বিষয়েও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই সমঝোতার ফলে আফ্রিকার জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশটির অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বড় সুযোগ তৈরি হলো।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রী স্থানীয় প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ানদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের অনুরোধ জানান। আলজেরিয়ার জ্বালানি খাতের আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান যেন বাংলাদেশের কর্মীরা শিখতে পারেন, সেজন্য বিশেষ কোর্সের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়। আলজেরিয়ার পক্ষ থেকেও এই প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী জানান, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় নিজস্ব দক্ষ জনবল গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে।
চুক্তি সই শেষে সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশের মন্ত্রী বলেন, এই সমঝোতা স্মারক দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত তৈরি করেছে। মধ্যপ্রাচ্যের পাশাপাশি এখন আফ্রিকার মতো বিকল্প উৎস থেকে সরকারিভাবে জ্বালানি কেনা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত এই চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস ও তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করা গেলে দেশের শিল্প-কারখানা ও সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট অনেকটাই কমে আসবে।
“আলজেরিয়ার সঙ্গে জ্বালানি চুক্তিটি বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি কূটনীতির একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। একক উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প আন্তর্জাতিক উৎস তৈরি করা দেশের সার্বিক অর্থনীতি ও উৎপাদন খাতের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। তবে সমঝোতাটি যেন কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ না থাকে, সেজন্য দ্রুত আমদানি চুক্তি ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা জরুরি।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



