গোয়ালন্দে হরিজনদের স্থায়ী বাড়ি ও বেতন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের স্থায়ী আবাসন, কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি এবং স্থানীয় মন্দিরের কাজ শেষ করার জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
- হরিজন সম্প্রদায়ের জন্য খাসজমি বা রেলের জমি খুঁজে প্লট ও ঘর তৈরি করা হবে।
- কাজে যুক্ত কর্মীদের মাসিক বেতন প্রাথমিকভাবে এক হাজার টাকা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
- স্থানীয় হরিজন রামকৃষ্ণ পল্লী মন্দিরের বাকি থাকা সংস্কার কাজ সম্পন্ন করতে আর্থিক অনুদান মিলবে।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। বুধবার বিকেলে উপজেলার গোয়ালন্দ হরিজন রামকৃষ্ণ পল্লী মন্দির পরিদর্শনকালে তিনি তাদের স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা, কর্মীদের সম্মানী বা বেতন বৃদ্ধি এবং মন্দিরের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় তিনি উপস্থিত স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে হরিজনদের জীবনমান উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, তাদের স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য উপযুক্ত জমি খোঁজা হচ্ছে। রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি কিংবা সরকারি খাসজমি পাওয়া গেলে সেখানে পরিবারগুলোর জন্য আলাদা প্লট নির্ধারণ করে ঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে দ্রুত জমি চিহ্নিত করে তাঁর দপ্তরে যোগাযোগ করতে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
এর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা ও সেবাকাজে যুক্ত কর্মীদের অর্থনৈতিক দুরবস্থার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বেতন বাড়ানোর উদ্যোগের কথা জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে কর্মীদের মাসিক বেতন এক হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হবে এবং ভবিষ্যতে সরকারি সুবিধার আওতায় এনে তাদের জন্য নিয়মিত ভাতা চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে পল্লীর মন্দিরের অসম্পূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করতে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করছেন, প্রতিমন্ত্রীর এই প্রতিশ্রুতির ফলে হরিজন পল্লীর মানুষদের মৌলিক নাগরিক সুবিধা ও জীবনযাত্রার মানে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
“বাংলাদেশের প্রান্তিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হরিজন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় সংকট হলো ভূমিহীনতা ও স্বল্প মজুরি। গোয়ালন্দে প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হলে তা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করবে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



