খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে বৃহস্পতিবার থেকে আবার অনির্দিষ্টকালের অবরোধ
১-ক্লিকে সম্পূর্ণ খবর শুনুন (অনলাইন অডিও)

দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাময়িক বিরতির পর খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে। সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তিন দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
- বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হচ্ছে।
- দুর্গাপূজার কারণে গত ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছিল।
- জেএসএসের সশস্ত্র সদস্য প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন করছে স্থানীয় দুটি সংগঠন।
আধুনিক ফুল-স্ট্যাক ও এআই ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্প
ঘরে বসেই ক্যারিয়ার গড়ুন বিশ্বমানের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সীমিত আসন!
পর্যটন এলাকা সাজেকে যাওয়ার সড়কে আবারও অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক অভিমুখী সড়কে বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে। বুধবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি এবং সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন এই ঘোষণা দেয়। বিবৃতিতে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা সই করেছেন।
বিবৃতিতে আয়োজকরা জানান, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকায় সন্ত্রাস ও হয়রানি বন্ধে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। এর আগে গত ১১ অক্টোবর থেকে তিন দফা দাবিতে একই কর্মসূচি শুরু করেছিল সংগঠন দুটি। প্রশাসনের আশ্বাসে মাঝখানে দুদিন এবং দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। পূজা শেষ হওয়ায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আবারও নতুন করে সড়ক অবরোধ শুরু করা হচ্ছে।
এদিকে আনীত অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)। সংগঠনটির সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা জানান, একটি নির্দিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জেএসএসের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। এই অভিযোগগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
সাজেকে নতুন করে সড়ক অবরোধের ঘোষণায় স্থানীয় বাসিন্দা এবং পাহাড়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সড়ক বন্ধ থাকলে পর্যটন খাতে যেমন বড় ধাক্কা আসবে, তেমনি সাজেকের সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়বে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিচ্ছেন স্থানীয়রা।
“পাহাড়ে বারবার অবরোধের মতো কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। স্থানীয় বিরোধ দ্রুত নিরসন না হলে পর্যটননির্ভর অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।”
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ ও এআই কনফারেন্স
রেজিস্ট্রেশন চলছে। এখনই আপনার আসন নিশ্চিত করুন।



